যুক্তরাজ্যের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে বলা হতো বিশ্বের সবচেয়ে ধনীনারী। তিনি এখন নেই, তবু তাঁর সম্পদের পরিমাণ নিয়ে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। তবে রীতিঅনুযায়ী, রানির সম্পদের হিসাব গোপন রাখা হবে।
এমনকি মৃত্যুর আগে তাঁর সম্পদের ভাগ–বাঁটোয়ারা নিয়ে রানির শেষ ইচ্ছাকী ছিলো, তা–ও প্রকাশ করা হচ্ছে না। সম্পদের মূল্য নির্ধারণকারী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’–এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের ব্র্যান্ডমূল্য ছিল ৮ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার।
এদিকে সানডে টাইমস–এর প্রকাশিত দেশটির শীর্ষ ধনীদের তালিকা থেকে জানাগেছে, ২০১৫ সালে রানির সম্পদের পরিমাণ ছিল ৩৪ কোটি পাউন্ড। এ অর্থের প্রধান উৎস ছিলব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ব্যক্তিগত সম্পদের উত্তরাধিকারী হওয়ায় তাঁর আয় থেকে।
আবার, ফোর্বস ম্যাগাজিনের মতে, রাজপরিবারের মোট সম্পদের পরিমান হল৭২.৫ বিলিয়ন পাউন্ড বা ৬,৬৩১ বিলিয়ন টাকারও বেশি। গুডটু ওয়েবসাইট বলছে, ২০২২ সালেরানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের আনুমানিক সম্পদের পরিমান ছিল ৩৩.৩৬ বিলিয়ন টাকার বেশি।
ব্রিটিশ রাজপরিবারের আয়ের প্রধান উৎস হল করদাতাদের আয়। একে বলা হয়সার্বভৌম গ্র্যান্ড। এটি রাজপরিবারকে বার্ষিক ভিত্তিতে দেওয়া হয়। রাজা তৃতীয় জর্জেরসময় এই অনুদান শুরু হয়েছিল। তিনি সংসদে একটি চুক্তির আওতায় এই অনুদানের ব্যবস্থাকরেছিলেন।
চুক্তিটি ব্রিটেনে সিভিল লিস্ট নামে পরিচিত ছিলো। ২০১২ সালে এটি সার্বভৌমঅনুদান দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। লন্ডন ছাড়াও স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, উত্তর আয়ারল্যান্ডেরাজপরিবারের সম্পত্তি রয়েছে। এগুলি হল রানির ব্যক্তিগত সম্পত্তি যা বিক্রি করা যায়না।
উল্লেখ্য, রানির সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে একাধিক অমূল্য শিল্পকর্ম,হীরা এবং গহনা, বিলাসবহুল গাড়ি, রাজকীয় স্ট্যাম্প কালেশন ও ঘোড়া। এছাড়াও রয়েল কালকেশনেরয়েছে ১০ লক্ষেরও বেশি জিনিসপত্র। যেগুলোর আনুমানিক মূল্য ১০ ট্রিলিয়ন টাকা।
জানা গেছে, এই সম্পত্তিগুলো ব্রিটেনের একটি ট্রাস্টের কাছে রয়েছে।এদিকে, ব্রিটেনের নতুন রাজা কিং চার্লসের বার্ষিক আয় সম্পর্কে বলতে গেলে জানাতে হয়,তিনি প্রতি বছর ডাচসে কর্ণওয়েল থেকে প্রায় ২১ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করেন।
একাত্তর/এসএ
