মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আসিয়ান দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমারের অবস্থান "সবচেয়ে নিকৃষ্ট" হয়ে উঠেছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এনএইচকে জানায়, ১০ই ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
এতে এও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামরিক দমনাভিযান বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার দিকে পরিচালিত হয়েছে এবং প্রায় একশ' রাজনৈতিক বন্দীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
গ্রুপটির এশিয়া বিষয়ক সহকারী পরিচালক ফিল রবার্টসনের ভাষ্যানুযায়ী, আমরা বারবার সহিংসতা বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছি।
তিনি যোগ করেন, আমরা দাবি করেছি যে সেখানে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।
এছাড়া, রবার্টসন জাপানকে এশিয়ার প্রাচীনতম গণতন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে এবিষয়ে দেশটিকে আরও পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় ২২৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে
রবার্টসন বলেন, এটি এমন একটি দেশ যেখানে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারকে মূল্য দেয়া হয় এবং সেকারণে মিয়ানমারে পরিবর্তনের দাবি তোলার ক্ষেত্রে জাপানের নেতৃত্ব দেয়া উচিত।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সঙ্গে জাপানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে, যার মধ্যে সামরিক কর্মকর্তাদের একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত আছে। তবে, মিয়ানমার গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলন কর্মীদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করায়, জাপান সরকার আগামী বছর থেকে সেই কর্মসূচি স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।
গত বছর এক সেনা অভ্যুত্থানের ফলে দেশটির এক দশকের গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং অর্থনৈতিক অবস্থান বদলে যায়। দেশটিতে এখনও সহিংসতা চলমান।
একাত্তর/আরবিএস
