যৌথ মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া ও বেলারুশের বিমান বাহিনী। আর এ ঘোষণার পর মস্কো ও তার পশ্চিমা মিত্ররা আশঙ্কা করছে, বেলারুশের সহায়তায় ইউক্রেনে আক্রমণ জোরদার করতে পারে রাশিয়া।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) এ যৌথ মহড়া শুরু হবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
রাশিয়ার বিমান বাহিনীর কতগুলো 'ইউনিট' বেলারুশে পৌঁছেছে জানিয়ে তারা বলছে, কৌশলগত ফ্লাইট অনুশীলনের সময় বেলারুশের বিমান বাহিনী এবং বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমস্ত বিমানঘাঁটি এবং প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র এতে অংশগ্রহণ করবে।
মহড়াগুলো প্রতিরক্ষামূলক বলে দাবি করেছে মিনস্ক। গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণের জন্য মস্কো বেলারুশকে একটি স্প্রিংবোর্ড হিসাবে ব্যবহার করার পর থেকে বেলারুশ স্বতন্ত্রভাবে এবং রাশিয়ার সাথে যৌথভাবে অনেকগুলো সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছে।
এই বছরের শুরু থেকে বেলারুশে যোদ্ধা, হেলিকপ্টার এবং সামরিক পরিবহন বিমান আসার কথা জানিয়েছে বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক টেলিগ্রাম মিলিটারি মনিটরিং চ্যানেল। এর মধ্যে রোববারই (১৫ জানুয়ারি) আটটি ফাইটার এবং চারটি কার্গো প্লেন বেলারুশে পৌঁছেছে।
বেলারুশের নিরাপত্তা পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্টেট সেক্রেটারি পাভেল মুরাভেইকো বলেছেন, বেলারুশের দক্ষিণ সীমান্ত অর্থাৎ ইউক্রেনের সাথে সীমান্তে পরিস্থিতি 'খুব একটা শান্ত নয়' এবং ইউক্রেন বেলারুশকে 'উসকানি দিচ্ছে'।
তিনি বলেন, 'আমরা আমাদের গানপাউডার শুকিয়ে রেখে সংযম ও ধৈর্য বজায় রাখছি। আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় বাহিনী এবং উপায় রয়েছে যা আমাদের ভূখণ্ডে আগ্রাসন বা সন্ত্রাসী হুমকির প্রতিক্রিয়া জানাবে'।
আরও পড়ুন: সাবেক আফগান নারী এমপিকে নিজ বাসায় গুলি করে হত্যা
ইউক্রেন বরাবরই বেলারুশ থেকে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত সপ্তাহে বলেন, দেশটিকে অবশ্যই বেলারুশের সাথে তার সীমান্তে প্রস্তুত থাকতে হবে।
তবে ইউক্রেনের সংঘাতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোকে চাপ দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ক্রেমলিন। মিনস্কও বলেছে যে তারা যুদ্ধে নামবে না।
একাত্তর/এসজে
