পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান ফুক। এর ফলে কমিউনিস্টশাসিত দেশটির নেতাদের মধ্যে ক্ষমতার সম্ভাব্য রদবদলের সূত্রপাত হলো।
বুধবার (১৮ জানুয়ারি) ভিয়েতনামের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
তার অধীনে দায়িত্ব পালনকারী দুই উপ-প্রধানমন্ত্রীর প্রস্থানের পর থেকেই তার পদত্যাগের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।
কমিউনিস্ট পার্টির এক বিবৃতিতে ফুকের নেতৃত্বের প্রশংসা করা হয়েছে। তবে তিনি তার অধীনে অসংখ্য কর্মকর্তার নিয়মলঙ্ঘন এবং অন্যায়ের জন্য রাজনৈতিকভাবে দায়ী ছিলেন বলেও সেখানে বলা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'যেহেতু তিনি পার্টি ও জনগণের প্রতি তার দায়িত্ব সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত ছিলেন, তাই ফুক তার পদ থেকে পদত্যাগ এবং অবসর নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন'।
এই মাসের শুরুতে পদত্যাগ করা দুই উপ-প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি দুই মন্ত্রী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ফুক ২০২১ সাল থেকে রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। কট্টরপন্থীদের নেতৃত্বে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সময় তিনি পদত্যাগ করছেন এমন খবর আসে। দেশটিতে বর্তমানে কমিউনিস্ট পার্টির শতাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের জন্য ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি থেকে অনুমোদনের প্রয়োজন। এ বিষয়ে বুধবার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে একটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে, যা হবে একটি আনুষ্ঠানিকতামাত্র।
আরও পড়ুন: যুদ্ধ শুরুর আগে গোপনে কিয়েভ গিয়েছিলেন সিআইএ প্রধান
২০১৬ থেকে ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করার পর ফুক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ভিয়েতনামের রাজনীতির শীর্ষ 'চারটি স্তম্ভের' একজন তিনি।
কমিউনিস্ট পার্টির সবচেয়ে শক্তিশালী পদ হলো সাধারণ সম্পাদক, যদিও রাষ্ট্রপতিরও গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃত্ব রয়েছে। বাকি দুজন হলেন প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পরিষদের চেয়ারম্যান।
একাত্তর/এসজে
