এবারের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধ বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে৷ সেখানে আমেরিকা ও চীনের নেতারা আবার সংলাপের সুযোগ পাচ্ছেন৷ তবে, রাশিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি৷
শীতল যুদ্ধ অবসানের পর ইউরোপ ও আমেরিকার নিরাপত্তা কাঠামো মোটামুটি স্থিতিশীল ছিলো৷ কিন্তু বিনা প্ররোচনায় রাশিয়া প্রায় এক বছর আগে যেভাবে ইউক্রেনের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ফলে সেই মৌলিক নিশ্চয়তা বড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে৷ এমনই প্রেক্ষাপটে চলতি বছরে জার্মানির মিউনিখ শহরে বাৎসরিক নিরাপত্তা সম্মেলন বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে৷ খবর ডয়চে ভেলের।
শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির ভিডিও ভাষণ দিয়ে সম্মেলন শুরু হচ্ছে৷
সম্মেলনের প্রায় ২০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম রাশিয়ার নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হয় নি৷ সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের প্রাক্তন নিরাপত্তা নীতি সংক্রান্ত উপদেষ্টা ক্রিস্টফ হয়েসগেন এই প্রথম সম্মেলনের সভাপতিত্ব করছেন৷
আরও পড়ুন: জাপানের নতুন রকেট উৎক্ষেপণ ব্যর্থ
তিনি বলেন, রাশিয়া যাতে এই সম্মেলনকে প্রচারণার মঞ্চ হিসেবে অপব্যবহার করতে না পারে, সে কারণে সে দেশের নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হয় নি৷
হয়েসগেন বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন ‘সভ্যতা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন’৷ ইরানের নেতৃত্ব ও জার্মানির চরম দক্ষিণপন্থি এএফডি দলকেও মিউনিখ সম্মেলন থেকে দূরে রাখা হচ্ছে।
একাত্তর/আরএ
