ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বন্যার পানিতে ডুবে গেছে সড়ক ও বাড়িঘর। যমুনা নদীর পানি বেড়ে দেখা দিয়েছে এ বন্যা।
দিল্লির রিং রোড তলিয়ে গেছে, কাশ্মীরি গেটের সঙ্গে সংযোগকারী মজনু কা টিলা সড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খবর: হিন্দুস্তান টাইমস।
এই জায়গাটি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়ি ও দিল্লি বিধানসভা থেকে ৫০০ মিটার দূরে। বন্যার পানি কেজরিওয়ালের বাড়ির কাছে পৌঁছে গেছে।
হরিয়ানার হাথনিকুন্ড ব্যারেজ থেকে পানি নদীতে ছাড়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল সাতটায় যমুনায় পানির স্তর ছিল ২০৮.৪৬ মিটার। বর্তমানে পানি বিপদসীমার তিন মিটার উপরে রয়েছে, যা বিগত ৪৫ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙেছে।
এ অবস্থায় দিল্লি সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া হরিয়ানার ব্যারেজ থেকে পানি ছাড়া বন্ধেরও আহ্বান জানায় দিল্লি।
তবে কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, ব্যারেজের অতিরিক্ত পানি ছাড়তে হবে। উত্তরে হিমাচল প্রদেশে ভারী বৃষ্টির কারণে পানি জমে ভরে গেছে ব্যারেজটি। যেখানে বর্ষায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন বলেছে, হরিয়ানা ব্যারেজ থেকে পানি প্রবাহ দুপুর দুইটার পর থেকে কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দিল্লিতে বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হওয়ায় জনগণকে নিগামবোধ ঘাট শ্মশান ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যার্তদের সহায়তার জন্য উদ্ধার কাজে নেমেছে জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা ফোর্সের ১২টি দল।
যদিও গত কয়েক দিনে দেশটির রাজধানীতে ভারী বৃষ্টি হয়নি, তবে হরিয়ানা ব্যারেজ থেকে আসা যমুনার স্রোত নদীর ধারে বসবাসকারী মানুষদের জন্য চরম কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় চার সেনা নিহত
পানি ঢুকে পড়ায় বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছে বহু মানুষকে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে হাজার হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
একাত্তর/জো
