দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে দেশটির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও ব্যবসায়ীদেরও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।
এর ফলে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে পারবেন না এবং সেখানে কোনো সম্পদ থাকলে তা ব্যবহার বা ভোগও করতে পারবেন না বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় প্রেসিডেন্ট এমারসন ছাড়াও রয়েছেন- ফার্স্ট লেডি অক্সিলিয়া মানাঙ্গাগওয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট কন্সতান্তিনও চিওয়েঙ্গা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওপাহ মুচিঙ্গুরি। রয়েছে বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীও।
গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মানাঙ্গাগওয়া। তার নেতৃত্বে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বলেছে, জিম্বাবুয়েতে আমরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন প্রত্যক্ষ করছি। জনসাধারণের মত প্রকাশকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।
এছাড়া রাজনৈতিক কার্যকলাপের উপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে মৌলিক স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে এবং সরকারি কর্মকর্তা ও নেতারা ব্যক্তিগত লাভের জন্য জনগণের সম্পদ লুঠ করছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন এর আগে জিম্বাবুয়েতে অসংখ্য অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন ও বেআইনি হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে বলেছে, সেখানকার মানুষরা চরম শঙ্কার মধ্যে রয়েছে।
হোয়াইট হাউস বলেছে, নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে শোষণ ও নির্যাতনের জন্য দায়ী ব্যক্তিসহ অন্যদের জবাবদিহি করার প্রচেষ্টায় নজর দেওয়া হচ্ছে।
ইসরাইলি বাহিনীর একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পদত্যাগ