কথায় বলে, বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়। ব্যঙ্গ করলে, যে রোগা সেই লাফায় বেশি; আসল লোকের চেয়ে তার অনুচরের লাফানি বেশি। ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের ঝাড়খণ্ডে। সেখানে এক সচিবের গৃহকমীর বাসায় অভিযান চালিয়ে পাওয়া গেছে নগদ টাকার পাহাড়। উদ্ধার করা হয়েছে ২০ কোটি রুপি!
পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর এই খবর দিয়েছে। ভারতের আর্থিক দুর্নীতি-সংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচির একাধিক স্থানে অভিযান চালানো সময় ২৫ কোটি রুপি নগদ অর্থ উদ্ধার করে।
এর মধ্যে ২০ কোটি রুপিই পাওয়া গেছে এক গৃহকর্মীর বাসায়। ঝাড়খন্ডের গ্রাম উন্নয়নমন্ত্রী আলমগীর আলমের ব্যক্তিগত সচিব সঞ্জীব লালের গৃহকর্মীর বাসা থেকেই এই পরিমাণ উদ্ধার করা হয়। ইডি মনে করছে, সাম্প্রতিক অর্থ লোপটের মামলার সঙ্গে উদ্ধার করা অর্থের যোগসূত্র রয়েছে।
ঝাড়খন্ডের মন্ত্রী আলমগীর আলম একজন কংগ্রেস নেতা। ৭০ বছরের এই রাজনীতিবিদ ঝাড়খন্ডের পাকুড় আসনের বিধায়ক। তারই সচিব ব্যক্তিগত সচিব সঞ্জীব লাল। ইডি জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তারা সচিব সঞ্জীব লালের গৃহকর্মীর বাসায় সোমবার সকালে অভিযান চালিয়ে ২০ কোটি রুপি জব্দ করেছে।
ইডি দাবি করেছে, গ্রাম উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বীরেন্দ্র কে রামের আর্থ লোপাটের মামলার সঙ্গে সঞ্জীবের নাম জড়িয়ে পড়ায়, সে সূত্র ধরেই সোমবার সকালে অভিযান শুরু করে ইডির কর্মকর্তারা। সেখানে এতো বিশাল পরিমাণ অর্থ উদ্ধারের ধারণা তারা আগে থেকে কল্পনাও করতে পারেননি।
ইডি জানায়, প্রকৌশলী বীরেন্দ্র এর আগেও একবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। গত বছরেই বহু প্রকল্পের অর্থ হাপিশ করার অভিযোগে বীরেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। সেই মামলার সঙ্গে জড়িত আছেন সচিব সঞ্জীবও। তার বাড়ি থেকেও নগদ অর্থসহ একটি পেন ড্রাইভও উদ্ধার করা হয়েছে।
সাগরে চীনা দানব ‘দ্য ফুজিয়ান’