গাজা গণহত্যা ও চলমান আগ্রাসনের মধ্যেই দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সৌদি আরব। আর এ কারণেই ‘গুপ্ত হত্যার’ শিকার হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান।
বুধবার প্রকাশিত এক নিবন্ধে সৌদি যুবরাজের এ আশঙ্কার কথা জানিয়েছে মার্কিন অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন পলিটিকো।
সৌদি আরবে সফররত মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের সালমান জানান, সৌদি-ইসরাইল সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি যে আলোচনা শুরু করেছেন সে কারণে তার জীবনে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
এমনই এক বৈঠকে মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত হত্যাকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে মিশরের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কারণে সাদাত নিহত হন এবং তাকে বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
আনোয়ার সাদাত ছিলেন মিশরের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি। ১৯৭০ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে ১৯৮১ সালের ৬ অক্টোবর নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বপালন করেছেন।
এর আগে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু করে। একই পথে এগোচ্ছিলো রিয়াদও।
কিন্তু গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। আহত লাখ ছাড়িয়েছে।
ইসরাইলি গণহত্যা শুরুর পর থেকে রিয়াদ-তেল আবিব কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি আবারও সমালোচনার মুখে পড়ে। সৌদি শাসকদের একটি অংশ ইসরাইলের বিরোধিতা করলেও সালমান প্রশাসন এ নিয়ে এখনও আশাবাদী। সালমানের এমন অবস্থান কোনোভাবেই মেনে নিতে পাড়ছে না দেশটির অধিকাংশ মানুষ।
বিক্ষোভে বিপাকে মমতা, বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে দুষলেন বিরোধীদের
বাংলাদেশের হিন্দুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ১৪০ কোটি ভারতীয়: মোদী