আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইরান হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে বলে ওয়াশিংটন যে অভিযোগ করেছে তা আবারও নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা বা বৈধতা নেই বলেও জানিয়েছে দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এফবিআই), সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সি এবং ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কার্যালয়ের দাবি, ইরানি হ্যাকাররা সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু তথ্য হ্যাক করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নির্বাচনী প্রচারণার সাথে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছে।
তবে তাদের এ দাবির পক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেনি ওয়াশিংটন। খবর তেহরানভিত্তিক পার্সটুডের।
এফবিআই’র ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী মিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রমাণ করা সম্ভব নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ গোলযোগে কিংবা নির্বাচনি বিতর্কে কোনো অবস্থায় ইরান নাক গলায় না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের মধ্যে ইরানের কোনো স্বার্থ নেই এবং এ ধরনের প্রবৃত্তিও তেহরানের হয় না।
ইরানের স্থায়ী মিশন বলছে, মার্কিন সরকার যদি বাস্তবিক অর্থেই সত্যের সন্ধান পেতে চায় তাহলে তারা যেন তাদের কাছে থাকা এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ তেহরানকে সরবরাহ করে। সেক্ষেত্রে ওই তথ্য-প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ইরানের পক্ষে আরও সুনির্দিষ্ট ও যথোপযুক্ত প্রতিক্রিয়া জানানো সম্ভব হবে।
এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপনের ফলে ইরানের কোনো ক্ষতি হবে না বরং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরই গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস পাবে বলেও উপহাস করে তেহরান।
সবশেষ বুধবার প্রকাশিত বিবৃতিতে এফবিআই বলছে, ইরানি হ্যাকাররা গত জুন মাস থেকে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতেও সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রচারণার হ্যাকিং করা তথ্যগুলো পাঠানো অব্যাহত রেখেছে।
তবে, হ্যাকাররা কোনও প্রাপকের কাছ থেকে কোনও উত্তর পেয়েছে- এমন কোনও প্রমাণ এখনও নেই।
এ ধরনের অভিযোগ এবারই প্রথম নয়, এর আগে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলো বাইডেন প্রশাসন। সে সময় রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দেন।
শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
বৈরুতে ইসরাইলি হামলায় হিজবুল্লাহর শীর্ষ কমান্ডারসহ নিহত ১৪