যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনে মাঠে নেমেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। শুধু মাঠেই নামেননি, ট্রাম্পের জন্য ভোটার টানতে লাখ লাখ ডলার বিলিয়ে দিচ্ছেন। এ নিয়ে দেশটিতে তীব্র সমালোচনার ঝড়ও উঠেছে। শেস পর্যন্ত বিষয়টি গড়িয়েছে আদালতে।
ভোটারদের ১০ লাখ ডলার দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইলন মাস্ককে ডেকে পাঠিয়েছে আদালত। শুনানির জন্য তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ডলার বিলিয়ে দেয়ার ঘটনায় বৃহস্পতিবার তাকে উপস্থিত থাকতে বলেছে ফিলাডেলফিয়ার আদালত।
ফিলাডেলফিয়া কাউন্টি কোর্ট অব কমন প্লিসের আদেশে বুধবার একজন বিচারক জানিয়েছেন, শুনানির সময় সব দলকে অবশ্যই উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হল। শুনানির দিন প্রথমে শুক্রবার নির্ধারিত হলেও তা পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সকালে নিয়ে আসা হয়।
ফিলাডেলফিয়া ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় থেকে সোমবার এই মামলা করা হয়। গত সপ্তাহে প্রতিযোগিতাটি শুরু করেন মাস্ক। মার্কিন নির্বাচনের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন লটারির মাধ্যমে একজন বিজয়ীকে ১০ লাখ ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। লটারিতে অংশগ্রহণের জন্য দুটো শর্ত দিয়েছেন ইলন মাস্ক।
বাকস্বাধীনতা ও অস্ত্র বহন আইন সমর্থনে একটি পিটিশনে সই করতে হবে ও যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত ভোটার হতে হবে। তার এই উদ্যোগ নিয়ে কিছুটা বিভক্ত হয়ে পড়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। অনেকের মতে, সরাসরি কোনও নির্বাচনি আইন ভঙ্গ করেননি মাস্ক। কিন্তু কেউ কেউ একে দেখেছেন ট্রাম্পের পক্ষে ভোটারদের টানার এক অভিনব পদ্ধতি হিসেবে।
সিএনএন থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে আমেরিকা পিএসি’কে সতর্ক করে একটি নোটিশ পাঠিয়েছিল বিচার বিভাগ। সেখানে বলা হয়, নিবন্ধিত ভোটারদের আর্থিক পুরস্কার দেয়া ফেডেরাল আইনের লঙ্ঘন হতে পারে।
আসন্ন মার্কিন নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রচারণার জন্য ট্রাম্প শিবির প্রভাবশালী সব গোষ্ঠীর ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তাই বিশ্বের শীর্ষ ধনীর সুপার পিএসসি হতে পারে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।
দিল্লি ও আশপাশের অঞ্চলে ঘন ধোঁয়াশার চাদর