ভারতের রাজধানী দিল্লি এবং আশপাশের অঞ্চলগুলো ঘন ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে। বৃহস্পতিবার শহরের কিছু অংশ ঢেকে যায় ধোঁয়ার পুরু চাদরে। সেখানকার এয়ার কোয়ালিটি বা বায়ুমাণ ‘খুব খারাপ’ অবস্থায় রয়েছে। ভারতের সেন্ট্রাল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের তথ্য অনুসারে, শহরের ৩৯ জায়গায় সকাল ৭টায় বাতাসের গুণগত মান ছিলো ৩২৯। যা ‘খুব খারাপ’ হিসেবে ধরা হয়।
গত কয়েক দিন ধরেই দিল্লির বাতাসের গুণগত মান (একিউআই) টানা খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবার গুণগত মান আরও নেমেছে। তার উপর এ দিনই দীপাবলি। কিন্তু, সকালেই যে ভাবে ধোঁয়াশার পুরু চাদরে ঢেকেছে রাজধানীর আকাশ, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে প্রশাসনের। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দীপাবলির সকালেই যদি এই অবস্থা হয়, তা হলে রাতে পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে পৌঁছবে?
তবে আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকাল ১১টার পর শহরের বাতাসের গুণগত মানের উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ সেই সময় তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে এবং বাতাসের গতিও শক্তিশালী হবে। গত কয়েক সপ্তাহে দিল্লিতে বাতাসের গুণগত মান খারাপ হয়েছে।
আর দীপাবলিতে বাজি-পটকা ফাটানোর ফলে তা আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই দীপাবলির দিন দূষণ ঠেকাতে প্রতিবারই নানা পদক্ষেপ নেয়া হয় রাজধানীতে। চালানো হয় নজরদারি। ২০২৫ সালের প্রথম দিন পটকা ও আতশবাজি বিক্রি, মজুত এবং বানানোর উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দিল্লি দূষণ নিয়ন্ত্রণ কমিটি।
এমনকি অনলাইনেও বাজি বিক্রি করা যাবে না বলেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দীপাবলির দিন রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত শুধুমাত্র সবুজ বাজি ফাটানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। শহরটির অনেকেই শ্বাসকষ্টসহ বায়ুদূষণজনিত নানা রোগে ভুগছে।
নির্বাচন কমিশন গঠনে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি