প্রেম না শোনো কোনো বাধা। বিশ্বের সব জনপদ জুড়েই এমন উদাহরণ রয়েছে। এবার এক ভিক্ষুকের সঙ্গে প্রেম করে সাজানো সংসার ভেঙে দিয়েছেন এক ভারতীয় নারী। এই খবর চাউর হতেই এনিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে নেট দুনিয়ায়। সরব হয়ে উঠেছে সামাজিক মাধ্যমগুলোর পাতা।
ভারতের বিভিন্ন সংবাদ বো গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের হরদৌয়ে। সেখানের এক বিবাহিত নারী বাসায় আসা ভিক্ষুকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ভিক্ষা দেওয়ার উছিলায় প্রায়ই দীর্ঘক্ষণ গল্প করতেন। ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কে গড়ায় তা।
নতুন বছরে সংসার ছেড়ে সেই ভিক্ষুকের হাত ধরে পালিয়ে যান সেই নারী। তার স্বামী এনিয়ে থানায় গিয়ে নাশিলও করেন। যার সূত্রে ‘লাপাতা স্ত্রী’র খোঁজে মাঠে নেমেছে পুলিশ। তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
উত্তর প্রদেশের হরদৌয়ের হরপালপুর এলাকার বাসিন্দা রাজু অভিযোগ করেন, রাজেশ্বরী ও তার ছয় সন্তান রয়েছে। সুখিই ছিলেন তারা। কিন্তু আচমকা নানহে পণ্ডিত নামের এক ভিক্ষুকের সঙ্গে রাজেশ্বরীর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। প্রায়শই বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তারা গল্প করতেন।
এমনকি ফোনেও তাদের কথা হতো। দু'জনের এই সম্পর্ক ঘিরে আগেই সন্দেহ হয়েছিল রাজুর। তার ধারণা, নানহে পণ্ডিতের সঙ্গেই রাজেশ্বরী পালিয়ে গেছেন। এনিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন।
রাজু জানান, দিন কয়েক আগে নানহে পণ্ডিত তাদের পাড়ায় ভিক্ষা করতে এসেছিলেন। এ সময় রাজেশ্বরীর সঙ্গে তার কথা শুরু হয়। তিন জানুয়ারি রাজেশ্বরী বাজারে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। দীর্ঘ সময় বাড়ি ফেরায় স্বামী রাজুর মনে সন্দেহ হলে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়।
অবশেষে থানায় অভিযোগ জানান রাজু। পুলিশের কাছে তিনি এও জানিয়েছেন, তার মোষ বিক্রির সব টাকা নিয়ে রাজেশ্বরী পালিয়ে গেছেন। থানায় ভিক্ষুকের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেছেন রাজু। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮৭ ধারায় মামলা রুজু করেছেন তিনি।
