১ আগস্ট হলো চীনের গণমুক্তি ফৌজ প্রতিষ্ঠার ৯২তম বার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বার্তায় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জাতীয় প্রতিরক্ষা ও সামরিক নির্মাণের ওপর উচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বরাবরের মত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। খবর সিজিটিএন।
প্রেসিডেন্ট শি বলেন, একটি শক্তিশালী দেশের একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী থাকাতে হবে এবং একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। আমাদের সেনাবাহিনী জনগণের সেনাবাহিনী। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের বীর সেনাদের সব শত্রুকে পরাজিত করার আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতা রয়েছে। আমাদের বীর সেনাদের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থ সুরক্ষার আত্মবিশ্বাস ও ক্ষমতা আছে।
শি জিন পিং এখন চীনের সর্বময়, অসীম, নিরঙ্কুশ ও তুলনারহিত ক্ষমতার অধিকারী এক প্রেসিডেন্ট। মৃত্যু ছাড়া বা শারীরিক অক্ষমতা ছাড়া আর কোনো কারণে তাকে তার পদ থেকে কেউ নামাতে পারবে না।
কমিউনিস্ট পার্টি কংগ্রেসে চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী একজন সম্ভাব্য উত্তরসূরি মনোনয়ন করার কথা ছিল তার। কিন্তু তিনি তখন তা করেননি। বরং নিজের ক্ষমতা আরো সংহত, আরো ব্যাপকতর এর ‘চিরকালীন’ করার উদ্যোগ নেন। হয়ে ওঠেন একক ক্ষমতাধর, অপ্রতিদ্বন্দ্বী। দলে তার ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির এমন পর্যায়ে চলে যায় যে, কেবল মাও সে তুং–এর ক্ষমতার সঙ্গেই যা তুলনা চলে।
এরপর গত ফেব্রুয়ারি মাসে কমিউনিস্ট পার্টি শি জিন পিংয়ের ক্ষমতাকে আকাশচুম্বী করার পথের শেষ বাধাটিও দূর করার প্রস্তাব করে। আর তা হলো প্রেসিডেন্টের দু’মেয়াদের বাধ্যবাধকতা সংবিধান থেকে একেবারে তুলে নেওয়া। এর আগে নব্বই দশকে চীন সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পদে থাকার বিধানটি চালু করে।
বিশ্বের ৯০ দেশে ভিসামুক্ত সুবিধা পাচ্ছে চীনারা
কলকাতায় প্রবীণের মরদেহ উদ্ধার, পরিবার বলছে এনআরসি আতঙ্কে আত্মহত্যা