কলম্বিয়ায় বামপন্থী গেরিলাদের বিরুদ্ধে লড়াই চলাকালে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার দায়ে এই প্রথমবারের মতো ক্ষমা প্রার্থনা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
সেনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্বকে বড় করে দেখাতে কিছু ক্ষেত্রে এসব বেসামরিক নাগরিককে বিদ্রোহী হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। খবর এএফপি’র।
কলাম্বিয়ার সরকার জানায়, ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এ নীতির অংশ হিসেবে ৬ হাজার ৪০২ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে গেরিলা আখ্যা দিয়ে তাদেরকে হত্যা করা হয়। মঙ্গলবার সেনাবাহিনী এমন হত্যার শিকার হওয়া ১৯ জনের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছে।
বোগোটায় এক অনুষ্ঠানে সেনা কমান্ডার লুইস ওসগিনা বলেন, ‘আমরা স্বীকার করছি যে জাতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে অত্যন্ত বেদনাদায়ক এমন কর্মকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছে যা কখনই হওয়া উচিত ছিল না।’ এক্ষেত্রে সৈন্যরা সেনাবাহিনীর ‘আইনকে কলঙ্কিত’ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এসময় ভুক্তভোগীদের আত্মীয়রা দেখেছেন ও শুনেছেন যে এ ব্যাপারে ‘আমরা আমাদের পক্ষ থেকে গভীর ও আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রর্থনা করছি।’
কলম্বিয়ার সামরিক বাহিনী দেশটির প্রধান গেরিলা গ্রুপ ফার্কের সাথে ২০১৬ সালে চুক্তিতে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত বামপন্থী এ বিদ্রোহী গ্রুপের সাথে লড়াই করে। ১৯৬০ সালে এ যুদ্ধ প্রথম শুরু হয় এবং তা দশকের পর দশক ধরে চলে।
শান্তি আলোচনায় আমেরিকাকে চায় কলম্বিয়া সরকার ও বিদ্রোহীরা