ভয়াবহ দাঙ্গার পর পাপুয়া নিউগিনিতে ১৪ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জরুরী অবস্থা ঘোষণার পর থেকেই রাস্তায় সেনা এবং পুলিশ মোতায়েন রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
দাঙ্গা ও অন্যান্য সহিংসতার প্রতিক্রিয়ায় পাপুয়া নিউ গিনিতে বৃহস্পতিবার ১৪ দিনের জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে। এর পরদিন শুক্রবার রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে সেনা ও পুলিশকে টহল দিতে দেখা যাচ্ছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান’র।
দেশটিতে বুধবার পুলিশ ধর্মঘটের সুযোগে লুটপাট এবং বিশৃঙ্খলায় অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
বুধবার বেতন ইস্যুতে পুলিশ ধর্মঘট করে কাজে না গেলে রাজধানীতে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয়। এ সুযোগে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজার হাজার লোক রাস্তায় নেমে এসে দাঙ্গা ও লুটপাটে জড়িয়ে পড়ে। শহরটিতে দোকানপাট ও ব্যবসায় অগ্নি সংযোগও করে তারা। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরের গেট ভেঙ্গে ঢোকার চেষ্টাও করে জনতা। এতে শহরজুড়ে অস্থিরতা দেখা দেয়।
এ ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণার পাশাপাশি দেশটির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী মারাপে। ওইদিনই রাজধানীতে এক হাজারেরও বেশি সেনা মোতায়েন করেছেন তিনি।
অলাভজনক জরুরি প্রতিক্রিয়া পরিষেবা সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্সের স্থানীয় শাখার প্রধান ম্যাট ক্যানন বলেন, রাস্তায় পুলিশ ও সেনাদের মোতায়েনের কারণে শুক্রবার সকালে শহরটি নতুন করে ‘স্বাভাবিক’ অবস্থায় ফিরে এসেছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি সুপারমার্কেটগুলোও আজকে আবার চালু হবে। শোনা যাচ্ছে সম্ভাব্য ভিড়ের জন্য সেখানে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।’
পাপুয়া নিউগিনিতে দাঙ্গায় ১৫ জন নিহত