বন্ধ হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিচয় দিলেই টিকা মিলবে

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২২, ০৫:২১ পিএম

এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হচ্ছে না। যেভাবে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চলছিল, ঠিক সেভাবেই চলবে। পাশাপাশি ১২ বছরের বেশি হলেই যে কোন শিক্ষার্থীই টিকা পাবেন। টিকা কেন্দ্রে গিয়ে তাকে শুধু শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি।

তিনি বলেন, করোনাকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সময় আমাদের সংক্রমণের হার সাত শতাংশের কাছাকাছি ছিল। নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় এখনও আবার সেটা সাত শতাংশে পৌঁছেছে। তবে তখনকার তুলনায় এখন পরিস্থিতি অনেক ভালো। কারণ তখন ভ্যাক্সিনেশন ছিল না, অর্থাৎ তখন কোনও শিক্ষার্থী টিকা নেয়নি।

বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন শিক্ষার্থীদের বড় একটা অংশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সবাই, এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের একটা বড় অংশ টিকা নিয়েছে এবং এই মাসের মধ্যে অন্তত এক ডোজ টিকার আওতায় সবাই চলে আসবে। সেই পরিস্থিতিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখন বন্ধ করবো না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৩১ জানুয়ারির মধ‌্যে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী ৪৪ লাখ শিক্ষার্থীকে করোনা প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া সম্পন্ন হবে। ভর্তি ফরম, রেজিস্ট্রেশন বা আইডি কার্ড দিয়ে শিক্ষার্থী প্রমাণ হলেই টিকা দেওয়া হবে।

দিপু মনি বলেন, মোট ৪৮ লাখ ১৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ১২-১৮ বছরের শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছে। ৭৫ লাখের বেশি এখনো টিকার বাইরে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছেনা আমরা বন্ধ করলে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একসাথে বন্ধ করবো নাকি ধাপে ধাপে। তবে, আমরা শিক্ষার্থীদের যাতে কম ক্ষতি হয়, সে চেষ্টাই করবো।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও আমরা এখনি বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছি না। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই টিকা পেয়েছেন, শিক্ষকরা টিকার আওতায় এসেছেন। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। 

এক ডোজ টিকাও না নিয়ে স্কুল-কলেজে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ফলে যারা করোনার টিকা নেয়নি তাদের অনলাইনে ক্লাস করার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ছাড়া যেসব শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি রয়েছে তাদেরও অনলাইনে ক্লাস ও টিভির ক্লাস অনুসরণ করার পরামর্শ দেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন: টিকা না পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস অনলাইনে

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ বাড়ার পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। টানা দেড় বছর বন্ধ রেখে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। 

একাত্তর/আরএ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের লক্ষ্যে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন ও তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সবচেয়ে বড়ো মাধ্যম শিক্ষা বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।  
দেশের শিক্ষার প্রকৃত মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি ইবতেদায়িসহ সকল মাদ্রাসায় পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল বা দুপুরকালীন খাবার চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। ২০২৬-২০৩১ অর্থবছরের মেয়াদে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন...
শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ দলের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ভেস্তে দিল বগুড়ার আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া শহরের...
আওয়ামী লীগের বিগত শাসনামলের অন্যায় ও গণহত্যার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, হাজারো ডিসেম্বর পেরিয়ে গেলেও শেখ হাসিনা আর কখনো বাংলাদেশে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন...
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুসংহতকরণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যে যেই ধর্মেরই হই না কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর