বৈরি আবহাওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতি রোধসহ কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়নে জাতীয় কৃষি কমিশন গঠনের তাগিদ দিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
তবে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষিতে বৈরি আবহাওয়া সারা বিশ্বের জন্যই চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগ-প্রবণ দেশ, চ্যালেঞ্জ আরো বেশি। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার সফলভাবে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে যাচ্ছে।
ভবিষ্যতে বৈরি আবহাওয়া মোকাবেলার জন্যও গবেষণায় পর্যাপ্ত বরাদ্দের পাশাপাশি কৃষিকে আধুনিকায়নে কাজ করছে। কাজেই, বৈরি আবহাওয়া আমরা মোকাবিলা করতে পারব।
‘বৈরি আবহাওয়ায় কৃষিজ উৎপাদন: অস্থিতিশীল বৈশ্বিক কৃষিপণ্যের বাণিজ্য’ শীর্ষক সংলাপে তিনি আরও বলেন, বৈরি পরিবেশ মোকাবেলায় ৫০-৭০% ভর্তুকিতে ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে।
এই মুহূর্তে শুধু সুনামগঞ্জ জেলায় ৫৭৭টি কম্বাইন হারভেস্টার ধান কাটায় ব্যবহার হচ্ছে। এর ফলেই বৈরি পরিবেশের মধ্যেও সুনামগঞ্জে এখন পর্যন্ত ৭৭% বোরো ধান কাটা সম্ভব হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, নানান কর্মসূচি গ্রহণ করায় বর্তমান সরকার মঙ্গাকে চিরতরে দূর করেছে। গত ১৪ বছরে মঙ্গা পীড়িত এলাকা, উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলসহ দেশের কোথাও কোন খাদ্য সংকট হয়নি, মঙ্গা হয়নি।
আরও পড়ুন: প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইনে সংবাদপত্র শিল্প আরো রুগ্ন হবে: নোয়াব
কৃষিক্ষেত্রে গবেষণার জন্য বর্তমান সরকার পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগে কৃষি গবেষণার জন্য আমরা বিদেশের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। বিদেশি বা আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার টাকা না পেলে গবেষণা করা যেতো না। কিন্তু বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিখাতে গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিচ্ছেন। ফলে গবেষণার জন্য ফান্ডের কোনো কমতি নেই।
একাত্তর/আরএ
