রোববার থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট। চার শতাধিক যাত্রী নিয়ে ওই দিন সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট।
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবার সীমিত সংখ্যক মুসল্লি হজ্জ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন।
শুক্রবার (৩ জুন) হজ্জ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হজ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
করোনা মহামারীর কারণে গেলো দুই বছর সৌদি আরবের নাগরিক ছাড়া বিদেশিদের হজে অংশ নেয়ার সুযোগ ছিলো না। করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় আবারও উন্মুক্ত হলো হজের দুয়ার।
সৌদি আরবের বাইরে থেকে এবার দশ লাখ মুসল্লি হজে যাবার সুযোগ পাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে যাচ্ছেন ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন মসুল্লী। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে হজ।
শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো চলতি বছরের হজ কার্যক্রম। গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে যার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় তিনি বলেন, হজ যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। হজের সময় সৌদি সরকারের নিয়ম মেনে চলতে হজ যাত্রীদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আশকোনা হজক্যাম্প প্রান্তে ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী ও দুই শতাধিক হজ যাত্রী। জানান ৫ জুন থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে।
মহামারীর কারণে গেলো দুই বছর ঢাকার আশকোনার হজক্যাম্পে কোনো কর্মব্যস্ততা ছিলো না। এবার হজযাত্রা উপলক্ষে পরিস্থিতি পাল্টেছে।
আরও পড়ুন: ডলারের দাম বাড়ার প্রভাব আমদানি করা খাদ্যপণ্যের বাজারে
চার মাস আগে থেকেই ক্যাম্পে হজ প্রস্তুতির কার্যক্রম শুরু হয়। আর গেলো বুধবার থেকেই এই ক্যাম্পে আসতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা।
বিমানসহ তিনটি এয়ারলাইন্স এবার হজ যাত্রী পরিবহন করবে। তাদের সুবিধায় ‘রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ’ কার্যক্রমের আওতায় হজ যাত্রীদের সৌদি অংশের ইমিগ্রেশন ঢাকাতেই হবে।
সৌদি আরবগামী হজ ফ্লাইট শেষ হবে ৩ জুলাই। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট আগামী ১৪ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ১৪ আগস্ট।
একাত্তর/এসজে
