রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, ৬০০ বছর ধরে কিশোরগঞ্জের হাওরে জনবসতি শুরু হয়েছে। এক সময়ের দুর্গম হাওরে মানুষ পায়ে হেঁটে ও বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া চলাচল করতে পারতো না। এখন রাস্তাঘাটসহ সকল পর্যায়ে উন্নয়ন হচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে হাওরে এখন পর্যটকরা আসছেন। কিন্তু প্লাস্টি বর্জ্য ও পলিথিনের কারণে হাওর এলাকার পযটনের পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে প্লাস্টিক বর্জ্য ও পলিথিনের ব্যবহার রোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় অষ্টগ্রামে আবদুল হামিদ অডিটোরিয়ামে জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, অলওয়েদার রাস্তা হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। পর্যটকরাও সে রাস্তা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল মিথ্যা ও বিভ্রান্তির তথ্য ছড়াচ্ছেন। এতে হাওরের উন্নয়নে যাতে কোনো বাধাগ্রস্ত না হয় সে দিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।
চারদিনে সফরের দ্বিতীয় দিনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামের জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করেন।
এসময় কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম(বার), জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল শেখ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমানসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নতুন সূচিতে অফিস শুরু, রাস্তায় বাস কমের অভিযোগ
এর আগে রাষ্ট্রপতি অষ্টগ্রামের ভাতশালা সেতু ও নবনির্মিত আবদুল হামিদ সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন।
বুধবার রাষ্ট্রপতি মিঠামইনের নির্মাণাধীন সেনানিবাসের কার্যক্রম পরিদর্শন ও ইটনা উপজেলায় মতবিনিময় সভাসহ উন্নয়নমূল কাজ পরিদর্শণ করার কথা রয়েছে।
একাত্তর/এসি
