রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশের দিন পিটিয়ে পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনায় আপন হোসেন নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যিনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন বলে দাবি পুলিশের।
আপন হোসেনকে পটুয়াখালীর গলাচিপা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে। তিনি কেরানীগঞ্জ কালিন্দী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক।
সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার ঘটনায় যুবদল নেতা আপন সরাসরি জড়িত ছিলেন। টুল দাড়ি কেটে আত্মগোপনে থাকলেও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়েছে।
আপন হোসেন এর আগেই দুটি মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
বিএনপির সমাবেশে পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শামীম রেজা ও মো. সুলতানকে। রোববার তাদের গাইবান্ধা ও ডেমরা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ওই দুজনকেই সাতদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। পুলিশ হত্যার ঘটনায় রোববার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেছে পুলিশ। অজ্ঞাত আসামি রয়েছে আরও অনেকে।
শনিবার সরকার পতনের এক দফা দাবিতে মহাসমাবেশ আয়োজন করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু সমাবেশ শুরুর আগেই সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে দল দুটির নেতা-কর্মীরা।
প্রকাশ্য রাজপথে পিটিয়ে হত্যা করা পুলিশ সদস্যকে। আগুন দেওয়া হয় অর্ধশতাধিক গাড়ি ও হাসপাতালে। হামলা চালানো হয় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে। বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় ২৮ সাংবাদিক ও ৪১ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বাইডেনের কথিত উপদেষ্টা আরাফি পাঁচদিনের রিমান্ডে