দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে সারাদেশে ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।
সোমবার রাজধানীর তেজগাঁও সরকারি মুদ্রণখানা বিজি প্রেস থেকে কঠোর নিরাপত্তায় ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ভোটগ্রহণের জন্য সিল-প্যাডসহ নির্বাচনী সামগ্রী এরইমধ্যে জেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসহ ব্যালট পেপার সরাসরি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের ট্রেজারি শাখায় সংরক্ষণসহ সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
ভোটের দিন সকালে সেগুলো কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
প্রথম ধাপে পঞ্চগড়, গাইবান্ধা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, মাগুরা, রাঙ্গামাটি, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঝালকাঠী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও নেত্রকোণা জেলায় নির্বাচনী সরঞ্জাম যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যার সমান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নাম ও প্রতীকসহ ব্যালট পেপার ছাপানোর ব্যবস্থা করে। এবার দেশে মোট ভোটার এখন ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। তাদের মধ্যে ছয় কোটি সাত লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন পুরুষ; পাঁচ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন নারী এবং ৮৫২ জন হিজড়া।
ভোটের দিন জেলা থেকে সব উপজেলায় ব্যালট পাঠানো সম্ভব হবে না। কারণ ভোটের আগের দিন কেন্দ্র অনুযায়ী ব্যালট সেট করতে হবে, বাছাই করতে হবে। সেগুলো আগেই পৌঁছাতে হবে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া বা বাতিল নিয়ে মামলাগুলো মাথায় রেখে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যালট ছাপানো শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।
নির্বাচনি এলাকায় বা রিটার্নিং অফিসারদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে গেলেও মহানগর, জেলা ও উপজেলা সদরসহ অধিকাংশ এলাকায় ভোটের দিন সকালে ব্যালট পেপার পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।
তবে দুর্গম পার্বত্য এলাকা, হাওর ও চরাঞ্চলসহ জেলা-উপজেলা-মহানগর থেকে বেশি দূরে অবস্থিত কেন্দ্রে সকালে ব্যালট পাঠানো সম্ভব হবে না, সে বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করবেন। গত ১৮ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই তথ্য জানিয়ে দিয়েছে ইসি।
