সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে বলেন নুর

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৪, ০৮:০৯ পিএম

সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত কোটা বিরোধীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও সারজিস আলমকে মোবাইলে মেসেজ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ, সরকারের পদত্যাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া, ইন্টারনেট সচল করা, ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীদের গ্রেপ্তার করাসহ আরও নানা দাবি-দাওয়া লিখে দেন নুর।

শুক্রবার সেতু ভবনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে নুরকে আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের পরিদর্শক আবু সাইদ মিয়া। এ সময় রিমান্ডে নুরুল হক এসব তথ্য দিয়েছেন বলে আদালতকে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে বলেন, নুরকে আদালতের নির্দেশনা মেনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানান, গত ৫ জুন সরকারি চাকরিতে কোটা সংক্রান্ত আদালতের রায়ের পর থেকেই নাহিদ ইসলাম, নাসানাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ, আক্তার হোসেন এবং আহনাফদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। পরে ১৮ জুলাই রাত ১০টায় নাহিদ ইসলাম ও সারজিস আলমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে ও মেসেজে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার এবং বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার জন্য তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। তখন নাহিদ ইসলাম ও সারজিস আলম দাবি-দাওয়াগুলো তাকে লিখে দিতে বলেন। এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া, ইন্টারনেট সচল করা, ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ, সরকারের পদত্যাগসহ নানা দাবি-দাওয়া লিখে দেন নুর। ১৯ জুলাই কর্মসূচিতে অংশ নিতে তিনি আন্দোলনকারীদের আহ্বান জানান এবং বর্তমান সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নুরুল হককে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহাম্মদের আদালতে নুরের পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী বিপ্লব পোদ্দারসহ অনেকে। নুরের উপস্থিতিতে জামিন শুনানি করার আবেদন করেন তারা।

বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে নুরকে হাজতখানা থেকে এজলাসে নেওয়া হয়। এর আগে তাকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এজলাসে আনা হলে আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, নুর দাঁড়াতে পারছেন না। তার যেন বসার ব্যবস্থা করা হয়। পরে তাকে বেঞ্চে বসার আদেশ দেন আদালত। শুনানিকালে পুরোটা সময় স্ত্রীর পাশে বসা ছিলেন নুর।

রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনায় এবং তার জামিনের বিরোধিতা করে। আদালতের কার্যক্রম শেষে নুরকে বিচারকের খাসকামরায় নেওয়া হয়। সেখানে বিচারক তার সঙ্গে কিছু সময় কথা বলেন। পরে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী নুরকে চিকিৎসার নির্দেশ দেন এবং জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

গত ২১ জুলাই নুরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আরেকটি আদালত।

গত ১৮ জুলাই সেতু ভবনে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সেতু ভবনের কেয়ারটেকার রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে বনানী থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। সেতু ভবনের ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

কেএসএইচ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি মুছে ফেলাসহ দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধা ও হুমকি রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
দেশের সাধারণ মানুষের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা নিশ্চিত করা, খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং গরুর মাংসের খুচরা বাজারমূল্য প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনতে জীবিত গরু ও প্যাকেটজাত হালাল মাংস আমদানির...
একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবেন না—সরকারের এই নীতিমালার ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী একই...
বিয়ের সময় বকেয়া রাখা দেনমোহর পরবর্তীতে স্ত্রী দাবি করা মাত্রই তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করতে স্বামীকে নির্দেশ দিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে দেনমোহর আদায়ের জন্য স্ত্রীকে আর বিয়েবিচ্ছেদ কিংবা...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সব থেকে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডিয়া যদি...
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা শেষে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতেই পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য...
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও মহড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দেশব্যাপী তোলপাড় ও সমালোচনার মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক...
সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানে মারাত্মক ঘাটতি থাকার কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর