বন্যা কবলিত এলাকায় উদ্ধারকাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। নিয়মিত কর্মীদের সাথে রয়েছেন স্থানীয় ভলান্টিয়াররা।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধ ও বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুর্গত এলাকার বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়া ২৬০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করেছে ফায়ার সার্ভিস। উদ্ধারকাজের সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখতে খোলা হয়েছে মনিটরিং সেল।
বৃহস্পতিবার সকালে মনিটরিং সেলে বন্যাদুর্গত এলাকায় উদ্ধারকাজ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।
অপর এক জরুরি সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন। তিনি এসময় বন্যাদুর্গত এলাকার সার্বিক উদ্ধারকাজের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দেন।
মহাপরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম থেকে বিভাগীয় উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের একটি দল এবং ঢাকা ও বরিশাল থেকে প্রতিটিতে ১০ সদস্যবিশিষ্ট আরও তিনটি উদ্ধারকারী দল ফেনী ও বন্যাকবলিত এলাকায় পাঠানো হয়।
উদ্ধারকারী দল ওয়াটার রেসকিউ টেন্ডার, টিভি ক্যান্টার গাড়ি, হাইয়েস মাইক্রোবাস, রেসকিউ কমান্ড ভেহিক্যাল, জেমিনি বোট, ইঞ্জিনসহ ইনফ্লোটেবল বোট, লাইফজ্যাকেট, লাইফবোট, রিং বয়া, ডাইভিং সেট, থ্রোয়িং ব্যাগ, রেসকিউ রোপসহ বিভিন্ন উদ্ধার সরঞ্জাম নিয়ে ফেনীর উদ্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে রওনা হয়।
শুক্রবার বন্যাদুর্গত এলাকার উদ্ধারকাজ ঘুরে দেখবেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।
ফায়ার সার্ভিসের সেবা গ্রহণের জন্য হটলাইন নম্বর -১০২ এবং নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নিয়মিত নম্বর -০২২২৩৩৫৫৫৫৫ চালু রয়েছে।
পাশাপাশি সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য মনিটরিং সেলের ০১৭১৩-০৩৮১৮১ মোবাইল নম্বরে বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এও কল করা যাবে।
মনিটরিং সেলের পাশাপাশি বন্যাকবলিত এলাকার ফায়ার স্টেশন এবং বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে সেবাগ্রহণকারী ২৪ ঘণ্টাই সেবা নিতে পারবেন। প্রয়োজনে, ফায়ার স্টেশনগুলোকে আশ্রয়স্থল হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।
কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি লাখো মানুষ
দুই ইউনিয়নে ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, ভেসে গেলো দুই যুবক