হাসপাতালে বসেই সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুদান পাচ্ছেন সারাদেশের ক্যান্সার ও কিডনিসহ ছয় ধরনের অসংক্রামক রোগীরা। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় গত এক বছরে এ খাতে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে রোগীদের। রোগী প্রতি এককালীন পেয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোক-এ প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়া রোগীসহ ছয়টি প্রধান অসংক্রামক রোগের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে এসব অসংক্রামক রোগের রোগীদের ৬৪ জেলার ৪৫ হাজার রোগীকে ২২৫ কোটি টাকা সহায়তা করা হয়।
সরাসরি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হয় ১৫ হাজার রোগীকে ৭৫ কোটি টাকা দেয়া হয়। সাপোর্ট সার্ভিসেস ফর ভালনারেবল গ্রুপ (এসএসভিজি) প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ৬০ হাজার জনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশে স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নামে যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একক নামে সম্পূর্ণ পৃথক মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
গত বছরের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। তিনি ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জনগণের কল্যাণে একাধিক কার্যকর ও ফলপ্রসূ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে।
উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন: মন্ত্রিপরিষদ সচিব