বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৭ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জনস্বার্থে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
রোববার (৩ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপণে বলা হয়, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে অবসর প্রদান করা হয়েছে। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।
অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে ডিআইজি পদমর্যাদার একাধিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান এবং মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আছেন।
তারা হলেন- এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, সিআইডির ডিআইজি হাবিবুর রহমান, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, এনএসআইয়ের পরিচালক হারুন-অর-রশীদ এবং পুলিশ স্টাফ কলেজের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান।
এছাড়া অবসরে পাঠানো হয়েছে- পিটিসি নোয়াখালীর কমান্ড্যান্ট হায়দার আলী খান, পিটিসি খুলনার কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি রুহুল আমিন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রফিকুল হাসান গনি, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মজিদ আলী।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি কাজী জিয়া উদ্দিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি গোলাম রউফ খান, পিটিসি রংপুরের কমান্ড্যান্ট রেজাউল হায়দার, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি রখফার সুলতানা খানম এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদা) ফারহাত আহমেদও অবসরপ্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছেন।
এর আগে গত ২২ এপ্রিল ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার আরও ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল।
৩০ জুনের মধ্যে স্বতন্ত্র নারী পরিচালক নিয়োগ না দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা: বিএসইসি
৮১ শতাংশ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী