ঢাক আর মন্ত্রোচ্চারণে দেবীর আবাহনে শুরু দুর্গোৎসব

মন্দিরে মন্দিরে ষষ্ঠীপূজা

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪১ পিএম

ঢাকের বাদ্য, শঙ্খের ধ্বনি, কাঁসর-ঘণ্টার শব্দ আর ভক্তদের উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণসহ সারাদেশের সবগুলো পূজামন্ডপ। এসবের মধ্য দিয়েই শুভ সূচনা হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের। ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার কৃপাধন্য হতে শুরু হয়েছে এই আনন্দ আয়োজন।

শুক্রবার সকাল ঠিক ৯টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরের মেলাঙ্গনে ফুলের সাজে সজ্জিত বেলতলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ষষ্ঠীপূজা শুরু হয়। সনাতন ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী, কৈলাস থেকে মর্ত্যলোকে দেবীকে আমন্ত্রণের মাধ্যমেই এই পূজার শুভ সূচনা হয়। বেলতলাজুড়ে সাজানো ছিল ফলমূল, দই আর নানাবিধ প্রসাদের থালা। প্রদীপের আলো আর ধূপের ঘ্রাণে চারপাশে এক স্বর্গীয় আবহাওয়া তৈরি হয়।

পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে একদিকে বাজতে থাকে ঢাক ও কাঁসর, অন্যদিকে ভক্তরা দিতে থাকেন উলুধ্বনি। পূজার একপর্যায়ে পুরোহিতকে হাতে প্রদীপ ও পাখা নিয়ে আরতি করতে দেখা যায়। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যেই শেষ হয় ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা।

পূজা শেষে পুরোহিত উপস্থিত ভক্তদের ওপর শান্তির জল ছিটিয়ে দেন এবং এরপর সবাই হাত জোড় করে অঞ্জলি নেন। অঞ্জলি শেষে সবার মঙ্গল কামনায় পুরোহিত প্রার্থনা করে বলেন, সব অমঙ্গল কেটে যাক, জগতের সকল মানুষের ঘরে ঘরে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।

শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘটেছে ঘোটকে অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে, আর তিনি বিদায় নেবেন নৌকায়। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, কন্যা রূপে বাপের বাড়িতে মর্ত্যলোকে আগমন ঘটে দেবীর। প্রাচীনকালে অশুভ বা অসুর শক্তির কাছে দেবতারা পরাজিত হলে তাদের তেজ ও সম্মিলিত শক্তি থেকে আবির্ভাব ঘটেছিল এই অসুরবিনাশী মহাশক্তি দেবী দুর্গার।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির তথ্য মতে, উৎসবের আমেজে এ বছর সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই রয়েছে ২৫৮টি পূজামণ্ডপ।

একাত্তর/এআরএস
স্বাধীন বাংলাদেশে যে কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া কিংবা নিরাপত্তা চাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়াকে জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেছেন...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।
ঢাকের কাঠি, শঙ্খধ্বনি, প্রদীপের আলো আর পূজাঅর্চনার মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর বিহিত পূজার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়...
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)।
স্বাধীন বাংলাদেশে যে কোনো ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া কিংবা নিরাপত্তা চাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়াকে জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেছেন...
রাজধানী কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোর মফস্বল শহর থেকে গ্রামের দুর্গা পুজাগুলো কার্যত থিম মন্ডপের আড়ম্বর দেখা যায়। রাজ্যটির সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সকলে পুজার রীতি মেনে অঞ্জলিতে অংশ না নিলেও...
দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে এখন নাগরিকদের শান্তি ও উন্নয়ন সুনিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক যুদ্ধ আমরা শেষ করেছি, এখন আমাদের...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর