দেশে প্রতিবছর আড়াই থেকে তিন হাজার মানুষ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যা মোট ক্যান্সার রোগীর ১১ থেকে ১৫ শতাংশ। শুধু বয়স্করা নন শিশুরাও আক্রান্ত হয় ব্লাড ক্যান্সারে।
তবে, এর চিকিৎসা এখন দেশে অনেকটাই সুলভ। কেমোথেরাপির পাশাপাশি বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টও সম্ভব। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ ধরা গেলে পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
লক্ষ কোটি কোষ দিয়ে তৈরি মানুষের শরীর। প্রতি মুহূর্তে আমাদের জিইয়ে রাখতে নতুন কোষ তৈরি হচ্ছে আর মৃত কোষগুলো শরীর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে জৈবিক প্রক্রিয়ায়।
সেই কোষগুলোর মধ্যেই যখন কিছু কোষ অপরিপক্ব অবস্থায় সৃষ্টি হয়ে নিজেদের সংখ্যাকে বাড়াতে থাকে তাকে বলা হয় ক্যান্সার। মানবদেহের যে কোন অঙ্গ এমনকি রক্তেও ক্যান্সার হতে পারে।
তবে ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গ যেমন কেটে বাদ দেয়া যায়। ব্লাড ক্যান্সারের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়। রক্তের ক্যান্সার মূলত তিন ধরনের।
আরও পড়ুন: জনসংখ্যার অর্ধেকের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি!
লিউকেমিয়া, মায়োলোমা এবং লিম্ফোমা। রক্তের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক উপসর্গগুলো খুবই সাধারণ। যেমন জ্বর, দুর্বলতা, হাড়ে ব্যথা কিংবা রক্ত স্বল্পতা।
গেলো দশ বছরে দেশে ক্যান্সার নির্ণয়ের পরীক্ষা ও চিকিৎসা দুটোই সুলভ হয়েছে। কেমোথেরাপির পাশাপাশি বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের মত জটিল চিকিৎসাও হচ্ছে। তবে চিকিৎসাটা দীর্ঘমেয়াদী আর ব্যয়বহুল।
যে কোন ক্যান্সারের মতো রক্তের ক্যান্সারও প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা নিরাময়যোগ্য। সে জন্য সামাজিক সচেতনতা যেমন দরকার। তেমনি তেমনি দক্ষ চিকিৎসক ও জনবলের সঙ্কট দূর করাকেও চ্যালেঞ্জ বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
একাত্তর/এসজে
