অবশেষে উদ্ধার হলো আলোচিত রিকশাচালক শামীমের অটো রিকশাটি। তার চুরি যাওয়া সেই রিক্সাসহ চোর চক্রের আট জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি চোরাই অটোরিকশা, ২০টি মোবাইল ফোন, নগদ ২১ হাজার ৯১৫ টাকাসহ আরও বেশ কিছু সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
রাজধানীর দরিদ্র রিকশাচালকদের আতঙ্কের কারণ ছিলো এই চক্রটি। যাদের হাত দিয়ে চুরি হয়েছে শত শত রিকশা।
উদ্ধার হওয়া চারটি রিকশার মধ্যে একটি ছিলো শামীমের। যা রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে চোর চক্র প্রতারণার ফাঁদ পেতে নিয়ে যায়।
এনিয়ে একটি রিপোর্ট ৭১ টিভিতে প্রচারের পর এই চক্রকে গ্রেপ্তার করতে মাঠে নামে র্যাব। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা।
র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, যাত্রাবাড়ী এলাকায় রাতে একটি অভিযান চালায় র্যাব-৩ এর একটি দল। অভিযানে রিকশা চোর চক্রের মূলহোতা জাকির হোসেন এবং তার সাত সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতাররা সাত সহযোগী হলেন- নান্নু সর্দার, মনির হোসেন, সুমন সরকার, বাহারুল ইসলাম, হানিফ গাজী, কাজল ও মামুন।

আটক হওয়া কয়েকজন জানান, কিভাবে অভিনব ফাঁদ পাতে তারা রিকশা চুরি করেন। তারা জানায় গরীবের অটোরিকশা চুরি তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
চোরদের দেয়া চাঞ্চল্যকর তথ্যে উঠে এসেছে এই পেশার সাথে জড়িত নারী চোরদের কথাও। চুরির জন্যে তারা মানুষের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে দেয়।
এই চোর চক্রের মধ্যে একজনকে শামীম শনাক্ত করতে পেরেছে। যিনি ওই দিন রাতে তার রিকশায় ছিলো। অন্য দুইজনকে ধরতেও মাঠে আছে র্যাব।
র্যাব কর্মকর্তা আরিফ মহিউদ্দিন জানান, গ্রেফতাররা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন গ্যারেজ নিরাপদ স্থান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করে আসছে।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই মৃত্যু, হাসপাতালে ৬২৪ রোগী
তাদের এমন কর্মকাণ্ডের ফলে গরীব ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক ও মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এসব চোর চক্রের বিরুদ্ধে র্যাব-৩ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একাত্তর/আরএ
