সিলগালা করে দেয়া গুলশান শপিং সেন্টার থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা।
তাদের দাবি, ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময় দেয়া হলেও তার আগেই মার্কেটটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।
তবে উত্তর সিটি কর্পোরেশন বলছে, তাদের ঈদের পর পর্যন্ত সময় দেয়া ছিলো। কিন্তু তারা সরে না যাওয়া নিরাপত্তার স্বার্থেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন।
তিন দিনের মধ্যে খালি করতে হবে পুরো মার্কেট। তাই মালামাল সরাতে ব্যস্ত গুলশান শপিং সেন্টারের ব্যবসায়ীরা।
কাগজের কার্টনে ভরে ছোট ছোট পিকআপে করে এসব মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময় দেয়া হলেও থাকলেও বিনা নোটিসে মার্কেট সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ বলেই গুলশান শপিং সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে। মার্কেট খালি করতে ব্যবসায়ীদের বার বার নোটিশ দেয়া হয়েছে। সবশেষ তাদের ঈদের পর পর্যন্ত সময় দেয়া ছিলো। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য সত্য নয়।
অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা না থাকায় ২০২১ সালে গুলশান শপিং সেন্টারকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে বলে ফায়ার সার্ভিস। কিন্তু সেটি এর কিছুই করেননি ভবন মালিক। ব্যবসায়ীরা ভবনটির নিরাপত্তা নিশ্চিতের কোন উদ্যোগ নেননি।
আরও পড়ুন: হানিফ ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেলে অটোরিকশার ধাক্কায় দম্পতি আহত
বৃহস্পতিবার মার্কেটটি সিলগালা করে দেয় সিটি কর্পোরেশন। প্রতিবাদে গুলশান সড়ক অবরোধ করে ব্যবসায়ীরা। ফলে দিনভর ভোগান্তিতে পড়েন এই সড়কে চলাচল করা হাজারও মানুষ।
একাত্তর/জো
