পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিবেশ অশান্ত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়।
এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মু. সাইদুজ্জামান মামুন।
তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিরোধীতা করে পরাজিত হওয়া একটি মহল জোট বেঁধেছে। সবুজ ছায়া আবাসন গ্রুপের চেয়ারম্যান বাশেদ সিমনের কাঁধে ভর করে তারা আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে মরিয়া।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাইদুজ্জামান মামুন বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই বাশেদ সিমন উপজেলা নির্বাচনের প্রচারের অজুহাতে গত শনিবার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের উপ-নির্বাচন কার্যক্রম চলাকালীন শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। সেই সময় কে বা কাদের সঙ্গে তার হট্টগোল হয়েছে, তা সম্পর্কে আমরা অবগত নই। অথচ তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে এবং আমার দলকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। আমি এই অপপ্রচারের নিন্দা জানাই।
এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জু হাওলাদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাজিদুল আকন প্রমুখ।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বাশেদ সিমন জনসংযোগ শুরু করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাঙ্গাবালীর ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের বঙ্গবাজারে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
রোববার রাতে পটুয়াখালী প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি তিনি তুলে ধরেন। এই হামলার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান মামুনকে দায়ি করেন তিনি। তবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে এর জবাব দিয়েছেন সাইদুজ্জামান মামুন।
