রাজধানীর পল্টন থানায় নাশকতার মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে তাদের জামিন ও রিমান্ডের দুই আবেদনই নাকচ করে দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
সোমবার দুপুরে ফখরুল ও খসরুকে আদালতে আনা হয়। তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে গত বৃহস্পতিবার আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক সুমিত কুমার সাহা।
আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন শুনানি শেষে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী।
এদিকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে ফখরুল-খসরুর জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। তবে তাদের আবেদন নাকচ করে দেন হাকিম।
গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে সমাবেশ শুরুর আগেই নাশকতা ও সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা। দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় পুলিশের সঙ্গে।
সংঘর্ষে অসংখ্য যানবাহনে আগুন দেওয়া হয়। প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশ সদস্যকে। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা চালানো হয়। এছাড়া হামলা করা হয় রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে।
এর পরের দিন ২৯ অক্টোবর সকালে গুলশানের বাসা থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আর ২ নভেম্বর রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গুলশানের এক বাসা থেকে আটক করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।
এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নয় মামলার জামিন আবেদন গ্রহণ করে আইনানুযায়ী তা নিষ্পত্তি করতে নিম্ন আদালতকে (সিএমএম) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার সকালে এ আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহের বেঞ্চ।
গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর রমনা ও পল্টন থানায় ফখরুলের বিরুদ্ধে এই ৯ মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে পল্টন থানায় ছয়টি ও রমনা থানায় তিনটি।
মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ