‘আমরা সবাই আওয়ামী লীগের লোক, দল মনে করলে বিরোধিতা করবো’

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:২৮ পিএম

পদ্মার পাড়ে পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের স্মৃতিবিজড়িত ফরিদপুর-৩ (সদর) আসন। এ আসনে নৌকা আর ঈগলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ভোটারদের ধারণা। নানা নাটকীয়তার কারণে এই আসনের বিষয়ে অনেকেরই আগ্রহ। এখানে নৌকার প্রার্থী শামীম হককে ভোটের মাঠে টিকতে আদালত পর্যন্তও যেতে হয়েছে। তার শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ। ব্যবসায়ী মহলে প্রভাবশালী আজাদ এফবিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি। অনেকগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়াও তার মালিকানায় রয়েছে একটি সংবাদ পত্র ও একটি টেলিভিশন চ্যানেল।

এ কে আজাদ ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা প্রথমে দলের মনোনয়ন চান। নৌকা প্রতীক না পেয়ে শেষে স্বতন্ত্র হিসেবে ঈগল প্রতীকে লড়ছেন।

আজাদ তার প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার শামীম হক নেদারল্যান্ডসের নাগরিক-এমন অভিযোগ তুলে তার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে গত ৮ ডিসেম্বর আবেদন করেন। পরে শামীম হকের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন শামীম হক। অন্যদিকে এ কে আজাদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে শামীমও পাল্টা অভিযোগ করেছিলেন ইসিতে। তার দাবি, আজাদ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে আজাদের প্রার্থিতা টিকে গেলেও শামীমের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। এরপর তিনি হাই কোর্টে যান। পরে হাইকোর্ট ইসির সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। তবে শেষ পর্যন্ত চেম্বার আদালতের রায়ে ভোটের মাঠে ফিরলেন শামীম।

দুই প্রার্থীই একে অপরের বিরুদ্ধে পালটাপাল্টি অভিযোগ করছেন। চলছে জমজমাট প্রচার। ভোটের মাঠে নিজের কাজ, এলাকায় অবস্থান, দলীয় অবস্থান সবকিছু নিয়ে একাত্তর টেলিভিশনের সঙ্গে কথা বলেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন একাত্তর টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি শাহনাজ শারমীন।

একাত্তর: আপনি তো জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আছেন। মনোনয়নও চেয়েছিলেন তাহলে দূরত্ব হলো কীভাবে?

এ কে আজাদ: দূরত্ব শুরুতে তৈরি হয়নি। আস্তে আস্তে হচ্ছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর থেকে ১৭ তারিখের আগ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিলো। আমরা যে, যার মতো কাজ করেছি। আমাদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না। কিন্তু ১৭ তারিখের পর থেকে আমাদের সমর্থক এবং কর্মীদের ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছে, ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। অনেক যায়গায় আমাদের নির্বাচনী অফিস ভেঙে ফেলা হচ্ছে। অনেক যায়গায় আমাদের অফিস নেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাড়িওয়ালাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমাদের ভাড়া দিলে তাকে এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না। যার কারণে অনেক যায়গায় অফিস বন্ধ করে দিতে হয়েছে। অনেক যায়গায় এখনও আমরা অফিস নিতেও পারছি না। কারণ সবাই ভয়ের মধ্যে আছে। প্রত্যেকটা ইউনিয়নে আমরা কমবেশি হুমকির মধ্যে আছি। কর্মীরা রাতে বের হলে তাদের লাঠিপেটা করা হয়। বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়া হয়। সবচেয়ে বেশি সমস্যা ইশানগোপালপুরে। সেখানকার চেয়ারম্যান মজুন সাহেব, একজন সন্ত্রাসী লোক। উনার অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন। অনেকবার জেলেও খেটেছেন। উনি বেপরোয়াভাবে হেলমেট পরে নিজে দাড়িয়ে থেকে আমাদের কর্মীদের পেটান। কর্মীরা তার নামে মামলা করতেও ভয় পান। দু’একজন মামলা করতে গেলেও থানা থেকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বলেছে, আপনারা মজনু সাহেবের নামটা বাদ দিয়ে দেন।

একাত্তর: নির্বাচনের মাঠ কী সমান নেই?

এ কে আজাদ: না। আমি সেই সমান অধিকার পাচ্ছি। আমার প্রত্যাশা ছিল, প্রশাসন সবার জন্য সমানভাবে কাজ করবে। অবশ্য, জেলা প্রশাসক সাহেব অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি বলেছেন, তার কাছে একটা দরখাস্ত দিতে। আমরা ঘটনা জানিয়ে লিখিত আকারে পাঠিয়েছি। মূলত, থানা থেকে আমাদের যে সাপোর্ট পাওয়ার কথা সেটি সঠিকভাবে পাচ্ছি না। ফোন করলে বলে ফোর্স পাঠিয়ে দিয়েছি, কিন্তু আসামি গ্রেপ্তারে ফোর্সের তৎপরতা তেমন দেখি না। দু’একজন আসামিকে ধরেছে, কিন্তু পরদিনই জামিন হয়ে আবার যা তাই। আমি সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় আছি এই ইশানগোপালপুর নিয়ে।

একাত্তর: নৌকা কেনো পেলেন না?

এ কে আজাদ: নেত্রী বা দল যাকে যোগ্য মনে করেছে, তাকেই দিয়েছে। এ ব্যাপারে আমার কোনো দুঃখ নেই। যখন দল থেকে যখন উৎসাহিত করা হয়েছে, স্বতন্ত্র দাঁড়ানোর জন্য। দলের পদধারী কেউও যদি স্বতন্ত্রের পক্ষে কাজ করে, তার বিরুদ্ধেও কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সবাইকে লেভেল প্রেয়িং ফিল্ড দেওয়া হবে, এই আশ্বাসে আমি নমিনেশন সাবমিট করেছিলাম। আমি এখনও আশাহত হইনি। আমার বিশ্বাস, প্রশাসন আরও সক্রিয় হবেন এবং তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। এসপির সঙ্গে কথা বলেছিলাম, তিনি বলেছেন- ‘উপর থেকে নির্দেশনা আছে, প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে।’ কিন্তু এখানে প্রশাসন তো এক পক্ষে।

একাত্তর: কতখানি প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করেন?

এ কে আজাদ: প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো দেখছি না। যা হচ্ছে, সন্ত্রাস। তবে নৌকার জনসমর্থন রয়েছে। নৌকার কিছু রিজার্ভ ভোটও আছে। কিন্তু এখানে আমি নৌকার ভোট পাবো। নৌকার কর্মীরাও আমাকে ভোট দিবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসে, পছন্দ করে, কারণ ফরিদপুরে গত ৩০ বছরে আমি অনেক কাজ করেছি। মানুষ বলছে, আমরা অভিভাবকহীন। আমরা আপনাকে খুঁজছিলাম। আপনি হবেন আগামী দিনে আমাদের ফরিদপুরের অভিভাবক। এখানে আমি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হসপিটাল করেছি। প্রচুর লোককে চাকরি দিয়েছি। ৭৫ হাজার লোককে হা-মীম গ্রুপে চাকরি দিয়েছি, তার অধিকাংশ ফরিদপুর শহরের। আমার ছোট ভাইয়ের শারমীন গ্রুপ, সেখানে ৩০ হাজার লোক চাকরি করে। তার অধিকাংশ লোক ফরিদপুরের। এই লোকগুলো মাঠে নেমে গেছে। এজন্য ওরকম তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা আমি আশা করি না। যেখানেই যাচ্ছি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। মানুষ তো বলছে, আপনার মতো একজন লোক আমরা খুঁজছিলাম। আপনাকেই ভোট দিবো। আপনিই হবেন, আমাদের অভিভাবক। সেকারণে আমি মনে করি, বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমি জয়ী হবো।

একাত্তর: এবারের বড় চ্যালেঞ্জ ভোটার উপস্থিতি, এর বাইরে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে বলে মনে করেন?

এ কে আজাদ: আমি দুটো চ্যালেঞ্জ আছে মনে করি। যেভাবে সন্ত্রাসী আক্রমণ করা হচ্ছে, তাতে আমার কর্মীরা ভয় পাচ্ছে। এই ভয়টা ছড়িয়ে যাচ্ছে ভোটারদের মাঝে। যদি পরিবেশ স্বভাবিক না থাকে, তারা ভোট দিতে আসবে না। এটা আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো- এই সন্ত্রাসের সামনে কর্মীদের মাঠে টিকিয়ে রাখা। আমি মনে করি, এই ব্যাপারে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হওয়া এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা দরকার।

একাত্তর: এ ব্যাপারে আপনি নির্বাচন কমিশন বা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন কিনা?

এ কে আজাদ:  আমি প্রতিনিয়ত জানাচ্ছি। প্রতিদিন জিডি করছি। এটা ডিসি, এসপি, র‌্যাবের অফিস এবং নির্বাচন মনিটরিংয়ে থাকা বিচারকের কাছেও পাঠাচ্ছি। কিন্তু অ্যাকশনে যাবে তো পুলিশ। তাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা আশা করি। ভোটাররা বলছেন, এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক আছে। পাশাপাশি শিক্ষার হার কম।

একাত্তর: এ বিষয়ে আপনার প্রতিশ্রুতি কী?

এ কে আজাদ: আমার তিনটা প্রতিশ্রুতি। এখানে ৬০ এর দশকে পদ্মার এ পারে ২১ জেলায় একমাত্র পাট শিল্প গড়ে উঠেছিল। এগুলো বিলুপ্তির পথে। এখন কিছু সংখ্যাক পাট শিল্প বিভিন্ন যায়গায় আছে। জাতির জনকের কন্যার দুরদর্শীতার কারণে তিনি পদ্মাসেতু করে দিয়েছেন, যার কারণে ২১ জেলায় শিল্পকারখানা গড়ার বিরাট সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আগে আমাদের ঢাকা যেতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা সময় লাগত। এখন আমি ঢাকা-ফরিদপুর যাতায়াত করি ২ ঘণ্টায়। আমাদের এখানে একটা ট্রেনিং ইনস্টিটিউট করেছি। প্রতিমাসে ১০০ থেকে ১৫০ ছেলেমেয়েকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছি। আমি নির্বাচিত হলে ১২টি ইউনিয়নে এরকম ১২টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট করবো। মাসে ১২শ’ ছেলেমেয়ে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে, পাশাপাশি চাকুরির সুযোগ হবে। এটাই আমার বড় প্রতিশ্রুতি। এজন্য আমি নগরকান্দার তালমায় প্রচুর জমি কিনেছি। এখানে একটি শিল্পপার্ক গড়ে তুলবো। এতে আমার ট্রেনিংপ্রাপ্ত ছেলেমেয়েরা এখানেই কাজের সুযোগ পাবে। ঢাকায় নিয়ে যেতে হবে না। আরেকটি হচ্ছে, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতে কাজ করবো। শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিতার উদ্যোগ নেবো। বিশেষ করে, শিক্ষার মূল ভিত, প্রাইমারি শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করবো। তিন-ফরিদপুরে সন্ত্রাসীতে ভরে গেছে। আগের এমপি মোশাররফ সাহেব কিন্তু সন্ত্রাসে প্রশ্রয় দেন নাই। ফরিদপুরে শান্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশ ছিল। কিন্তু এখন আবার তারা সক্রিয় হয়েছে। জেল থেকে বেরিয়ে এসে আবারও এই পথে পা দিয়েছে। তাদের একটা অংশ মাদক কারবারেও যুক্ত। মাদক চোরাচালানি করে। যার কারণে ফরিদপুরের আইন শৃঙ্খলার বেশ অবনতি হয়েছে। প্রতিনিয়ত ছিনতাই রাহাজানি বেড়ে গেছে। এমনকি আমার কর্মীদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। সমাজে আমার মতো পরিচিত লোকের যদি এই অসহায় অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে টিকে থাকবে? এটিই আমাদের আগামী দিনে বড় চ্যালেঞ্জ। এটি মোকাবেলায় কাজ করবো। আমি মনে করি, ফরিদপুরে আরও অনেক কাজ করার সুযোগ আছে।

একাত্তর: জয়ের ব্যাপারে আপনি কতখানি আশাবাদী?

এ কে আজাদ: জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ প্রত্যাশী। যেখানে গেছি, যাচ্ছি। মানুষ সরাসরি আমার থেকে উপকৃত হচ্ছে। মানুষও মনে করছে, এই লোকটা আসলে যেভাবে অতীতে অবদান রেখেছে, ভবিষ্যতেও আরও অবদান রাখবে।

একাত্তর: ‘ঈগল’ নিয়ে কি আগে থেকে আলোচনায় ছিল?

এ কে আজাদ: যতগুলো মার্কা আছে, তার মধ্যে ঈগল আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দ হয়েছে। ক্ষিপ্রতাসহ ঈগল পাখির অনেক গুণ রয়েছে। ঈগল তার সেই ঐতিহ্য ৭ তারিখের নির্বাচনে প্রমাণ করবে। আমরা মনে করি, ঈগল নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র হলেও তার কার্যক্রমে সে কখনো নিরপেক্ষ থাকবে না। সে কঠিনভাবে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদককে দমন করবে।

একাত্তর: ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হলে তাদের মধ্যে জোট করার চিন্তা আছে কিনা?

এ কে আজাদ: আমরা তো সবাই আওয়ামী লীগের লোক। আমরা চেষ্টা করবো আওয়ামী লীগে ফিরে যেতে, যেহেতু আমরা পদে আছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের নেত্রী। তবে যদি দল মনে করে, স্বতন্ত্র সংখ্যা বেশি, তারা বিরোধিতা করবে। তখন আমরা বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবো। নির্বাচনে যিনি জিতবে সবাই তাকে এমপি হিসেবে মেনে নিবো একসাথে কাজ করবো এলাকার উন্নয়নে।

একাত্তর: আপনাকে ধন্যবাদ একাত্তর টিভিকে সময় দেয়ার জন্য।

 

 

 

 

একাত্তর/কেএসএইচ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর অঞ্চলের সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দা নীলিমা দোলা দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিবিসি বাংলাকে দেয়া ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন দিগন্ত উন্মোচন’ শীর্ষক সাক্ষাৎকারটি সারাদেশে প্রদর্শিত হচ্ছে।
শুরু হয়েছে বিএনপির বর্ধিত সভা। ভোটের ভাবনা মাথায় রেখে তৃণমূল আর কেন্দ্রের নেতাদের নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর পর এ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সারাদেশ থেকে আসা প্রতিনিধিদের মধ্যে এ নিয়ে সকাল থেকেই ব্যাপক...
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী দিনে নির্বাচনের মাধ্যমে জামায়াত সরকার গঠন করলে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এমনকি গাছের উঁচু ডাল ও শেকড়ের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ রাখবো...
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ফ্যাসিলিটিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন শাহীন। 
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার বিদেশে পাচার করা অর্থ ব্যবহার করে দেশকে আবারও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু।
জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বন্দি মোছা. রিম্পাকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর