ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও স্বরূপকাঠি নিয়ে পিরোজপুর-২ আসন। ৩৩ বছর ধরে এই আসনের সংসদ সদস্য ১৪ দলীয় জোটের শরীক জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। মাঝে শুধু একবার মামলা থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারেননি। এই পাঁচ বছর বাদ দিলে ১৯৮৬ সাল থেকে শুরু করে ২০১৪ পর্যন্ত এই আসনে ছয়বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বিভিন্ন সময়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। মঞ্জু জাতীয় পার্টি'র একটি অংশের নেতা। জোট থেকে আবারও মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। সব সময় নির্বাচনে বিরোধীদের সঙ্গে লড়াই করলেও এবার তার লড়াই হচ্ছে নিজের ঘরে। তারই এক সময়ের একান্ত সচিব মহিউদ্দিন মহারাজ এই আসনের হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী।
প্রায় চার লাখ ভোটারের জনপদ ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও স্বরূপকাঠি উপজেলা। শীতের ঠান্ডায় নদী বেষ্টিত এই এলাকায় এখন ভোটের উত্তাপ। দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। এই আসনে এবার ৭ জন প্রার্থী। তবে নৌকা ও ঈগলের বাইরে কারো প্রচার নেই। গুরু শিষ্যের পোস্টার ঝুলছে একসাথে।
তরুণরা বলছেন ঈগলের প্রতি সমর্থনের কথা। আবার নারী ও বয়স্কদের সমর্থন আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর দিকে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মহারাজের অভিযোগ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী।
এদিকে নৌকার প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, ভোটে হার-জিত থাকবেই। কেউ যদি ভোটের আগেই হার মানেন তবে তার নির্বাচনে আসা উচিত নয়।
এখন উৎসাহিদের ৭ জানুয়ারিতে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে এটা জানার জন্য যে- এই আসনের ভোটাররা কাকে বেছে নিচ্ছেন, গুরু না শিষ্য কে।
‘ভোট দিতে মানুষ উদগ্রীব’ 