পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ১৮টি আসন পাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দারুণ লড়াইয়ের পর এককভাবে পেয়েছে ৬৮টি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মৌলবাদী রাজনীতি পরিহারের বয়ানের বিপরীতে জুলাই সংস্কারকে ধারণ এবং ডানপন্থার জোয়ারে জামায়াতের এই উত্থান হয়েছে। আর, জুলাই বিপ্লবের অগ্রণীদের হাত ধরে তৈরি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন দল হিসাবে ভালোই করেছে বলে মনে করেন, কোনো কোনো বিশ্লেষক।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা ও বাংলাদেশের মানুষের উপর জুলুম। শেখ হাসিনা শাসনামলে সর্বোচ্চ নেতাদের হারানোর ধকল। গুম, খুন নির্যাতন আর হামলা মামলার শিকার। এমনকি প্রতীক দাঁড়িপাল্লা হারিয়ে গুপ্ত পথে সংগঠন চালায় দলটি।
জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে জামায়াত ও শিবির ছিলো অন্যতম। শিবিরের প্যানেলের দখলে ডাকসুসহ দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও হল সংসদ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এসকে তৌফিক এম হক মনে করেন, জামায়াত শিবিরের এই বিজয়ী রূপের প্রতিফলন ঘটে জাতীয় নির্বাচনের আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে। একলাফে ১৮ থেকে ৬৮।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতন্ত্র চর্চাকেন্দ্রের পরিচালক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, খুলনা, সাতক্ষীরা, বৃহত্তর যশোর কুষ্টিয়াতে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশান। অবাক হবার বিষয় উত্তরের জেলাগুলোতে লাঙ্গলের ঘাটিতে মওদুদীবাদীদের নব উত্থান। রাজধানী ঢাকায় রীতিমত চমকে দিয়েছে জামায়াতের বেশ কটি আসনে বিজয়।
তবে রাজপথের রাজনীতির পাশাপাশি সংসদীয় রাজনীতিতে জামায়াতের ভালো করার সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা। এমনকি বিজয়ী ৬৮টি আসনের স্থানীয় সরকারের প্রতিটি স্তরে ভালো করার ইঙ্গিত এই ভোট থেকেই জামায়াত দিয়েছে বলে মত বিশ্লেষকের।
ঢাকা-১৬ আসনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে, দাবি আমিনুল হকের