বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সামনের বাংলাদেশ হবে তারুণ্যের এবং যৌবনদীপ্ত। আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে ৬২ ভাগই যুবক, যা যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।
শনিবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা-১১) সংসদীয় আসনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানুষ আর কোনো আধিপত্যবাদ দেখতে চায় না এবং আগামী ১২ তারিখের পর একটি পরিবর্তনের প্রত্যাশা করছে। সেই পরিবর্তন আসবে যুবসমাজ এবং মা-বোনদের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যারা মায়েদের কাপড় খুলে নিতে চায়, তাদের হাতে এই বাংলাদেশ নিরাপদ নয়। যারা মা-বোনকে সম্মান করে, তারা কখনো মায়ের গায়ে হাত দেবে না।
চাঁদাবাজদের সতর্ক করে জামায়াত আমির বলেন, চাঁদাবাজদের আমরা সংশোধন হওয়ার সুযোগ দেব, ভালো না হলে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।
মজলুম কীভাবে জালিম হয়—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এছাড়া কওমি মাদ্রাসা নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করা হবে—এসব কথা পুরোপুরি মিথ্যা। আমরা কওমি মুরব্বিদের সাথে বসে তাদের মূল্যায়ন করবো।

চৌদ্দগ্রামের এই জনসভায় ১১-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ জোটের অন্যান্য নেতারা।
ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, মা-বোনরা আস্থার ঠিকানা হিসেবে এখন ১১-দলীয় জোটকে দেখছে, যা প্রতিপক্ষকে হতাশ করে তুলেছে।
বক্তব্যের শেষে তিনি সবাইকে অন্যের মতের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নিজের চরিত্র নিয়ে মানুষের কাছে যান। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এমন সমাজ গড়া যেখানে প্রতিটি নাগরিক সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারে—সেটিই আমাদের লক্ষ্য।
পিঠা উৎসবে পাটওয়ারীকে একের পর এক ডিম নিক্ষেপের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ