সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মারা গেছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল পাঁচটা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিক্যার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তার সহকর্মীরা জানিয়েছেন, সোমবার (১৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণসহ দুই দফা জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের শেষকৃত্যের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ও ইন্দিরা রোডসহ দুই দফা জানাজা এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
পরিবার ও সহকর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের মরদেহ তার ইন্দিরা রোডের বাড়িতে রাখা হবে।
এরপর সকাল ১১টায় ইন্দিরা রোড খেলার মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর দেড়টায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হবে।
বেলা তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে।
বিকেল পাঁচটায় আজিমপুর কবরস্থানে তার জীবনসঙ্গী অধ্যাপক মাহফুজা খানমের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
এর আগে গত বছরের ১২ আগস্ট ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের স্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম মারা যান।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
আইন অঙ্গনে তার দীর্ঘ ও প্রভাবশালী পদচারণা ছিলো। তার মৃত্যুতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
