সুপার ফোরের ম্যাচ, যারা জিতবে তারা একধাপ এগিয়ে যাবে ফাইনালে উঠার দৌড়ে। শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তানের ম্যাচটিতে তাই উত্তেজনা ছিলই। সেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে রহমানউল্লাহ গুরবাজের দৃষ্টিনন্দন সব শটে। যদিও শেষ দিকে প্রত্যাশা অনুযায়ী রান তুলতে পারেনি আফগানরা। ৬ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তারা করেছে ১৭৫ রান। জিততে হলে লঙ্কানদের করতে হবে ১৭৬ রান।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) শারজাহ স্টেডিয়াম দেখেছে ‘রহমানউল্লাহ গুরবাজ প্রদর্শনী’। যদিও একটা আফসোস তিনি করতেই পারেন, সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে থাকলেও সেটার স্বাদ আর নেয়া হয়নি। ওপেনিং করতে নেমে ১৮৬.৬৭ স্ট্রাইকরেটে তিনি স্কোর বোর্ডে যোগ করেছেন ৮৪ রান। দেশের হয়ে তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ৮৭।
লঙ্কানদের বিপক্ষে এক উইকেট হারিয়ে পাওয়ার প্লেতে ৪৯ রান তুলে আফগানিস্তান। মহেশ থিকশানার প্রথম ওভারে আসে ৭ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ দিকে শ্রীলঙ্কাকে জয় এনে দেয়া আসিথা ফার্নান্দো দ্বিতীয় ওভারে উইকেট নিতে না পারলেও চমক দেখান। প্রথম বলে চার হজম করে পরের পাঁচটি বলই ডট দেন তিনি। আফগানদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ৪৬ রান তোলার পর। এ সময় বিদায় নেন হযরতউল্লাহ জাজাঈ। দিলশান মদুশাঙ্কার বলে আউট হওয়া জাজাঈ ১৬ বলে করেন ১৩ রান।
ইনিংসের শুরু থেকে মারমুখী ব্যাটিং করেন গুরবাজ। মাত্র ২২ বলে তিনি হাফসেঞ্চুরিও তুলে নেন। পাওয়ার প্লের পরের পাঁচ ওভারে লঙ্কানদের টাইট বোলিংয়ে কিছুটা গতি কমে যায় আফগান ইনিংসের। এ সময়ে কোনো উইকেট না হারালেও তারা তুলে মাত্র ৪০ রান। ১৩ ওভার শেষে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে আফগানদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১১১।
১৪তম ওভারে গুরবাজ-ইব্রাহিম মিলে তুলেন ২১ রান। তবে পরের ওভারে হাসারাঙ্গা খরচ করেন মাত্র ৬ রান। সেঞ্চুরির খুব কাছে থাকা গুরবাজ আউট হন আসিথার শর্ট বল খেলতে গিয়ে। আফগান ওপেনারের ভাসিয়ে দেয়া বল তালুবন্দী করে লঙ্কানদের স্বস্তি এনে দেন হাসারাঙ্গা। তার ৪৫ বলের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি চার ও ৬টি ছয়ের মার।
গুরবাজ আউট হয়ে গেলে ৪০ রানে আউট হন ইব্রাহিম। নবি আউট হন থিকশানার বলে। কিছুক্ষণ পর রানআউটের শিকার হন ঝড় তুলতে শুরু করা নাজিবউল্লাহ। ১০ বলে তিনি করেন ১৭ রান। রশিদ খান ৭ রান করে রানআউট হন। শ্রীলঙ্কার হয়ে ২টি উইকেট পান দিলশান মদুশাঙ্কা। মহেশ থিকশানা ও আসিথা নেন একটি করে উইকেট।
একাত্তর/এসএ
