যত দিন যায় তত জট খুলে রিয়াদের বিশ্বকাপ ভাগ্যের। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ভারতীয় ভিসার জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাকিবের বিশ্বকাপ ভাবনায় যে রিয়াদ ভালোভাবেই আছেন তা আরও একবার স্পষ্ট হলো।
যে আলোচনা এক্কেবারে শেষ হয়ে গিয়েছিল টানা তিন সিরিজে বাদ পড়ার পর... সেটাই এখন টক অব দ্য টাউন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে কঠোর অনুশীলনে ঠিক সেই সময়টায় যখন এশিয়া কাপের বাংলাদেশ কন্টিনজেন্ট ক্যান্ডিতে।
রিয়াদ চালিয়ে যাচ্ছেন... চালিয়ে যাবেন...নিরন্তর সংগ্রামী আনসাং হিরোরা তো এমনই হোন। সাফল্য ভিড়ে যারা হারিয়ে যান... ব্যর্থতার তথাকথিত মানদণ্ডে যাদের মাপা হয়... চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়।
সৌম্য সরকারও ছিলেন... তবে রিয়াদ কেন্দ্রিক ডিসকাশনটা বেশি কারণ এরপরই তার গন্তব্য ভারতীয় ভিসা সেন্টারে... ২১ আগস্ট প্রথম দফায় না থাকা রিয়াদ এদিক সব আলো কেড়ে নিলেন।
পাসপোর্ট জমা দেয়ার পর আবার ফিরিয়ে নেয়া, এরপর শুধু রিয়াদ বোর্ডের আহবানে পাসপোর্ট জমাই দেননি... ক্যাপ্টেন সাকিবের সাথে ফিটনেস-পরিকল্পনা সব ইস্যুতে হয়েছে আলোচনা। সেই রিয়াদ ক্যামেরার ফোকাসের পুরোটা জুড়ে।
একজন সাকিব আল হাসান অধিনায়ক হবার পরই মূলত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কেন্দ্রিক ইস্যুতে মোড় বদল। ১১ আগস্ট ক্যাপ্টেন সাকিবের নাম ঘোষণা হয়... এরপর
*রিয়াদকে রেখে বিশেষ দল গঠন হয়
*বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় পাসপোর্ট জমা নেয়া হয়
*অভিমান ভেঙে রিয়াদের অনুশীলনে যোগ দেন
*ড্রেসিং রুমে সাকিব-রিয়াদ বৈঠক
২৮ আগস্ট রিয়াদ যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে ফিরলেন... আনসাং হিরোর প্রতিটা পদক্ষেপে ফিরে আসার স্বপ্ন... সেই স্বপ্ন পূরণ হোক আর নাই হোক... হিরোরা হাল ছাড়েন না।
যে পাঁচ কারণে এশিয়া কাপ জিততে পারে বাংলাদেশ