বিশ্বকাপ অভিষেক ম্যাচেই ইতিহাস ছুঁয়ে ফেলেছিল কুরাসাও। শক্তিশালী জার্মানির বিপক্ষে খুব কম সময়ে গোল করে ম্যাচেও ফিরেছিল মাত্র ৪৪৪ বর্গকিলোমিটারের দেশটি, জাগিয়েছিল চমকের সম্ভাবনাও। তবে জার্মানদের সেই পুরোনো রূপ, সাত গোলের ঝড় আবারও দেখা গেলো বিশ্বমঞ্চে।
এর আগেও ব্রাজিলের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ৭-১ ব্যবধানের জয় পাওয়া জার্মানি এবারও একই রকম দাপট দেখালো। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা আর কৌশলের জোরে বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সাম্প্রতিক বিশ্বকাপগুলোতে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর এবার নতুন করে নিজেদের প্রমাণের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল জার্মানি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে তারা। ম্যাচের মাত্র ছয় মিনিটেই সেই চাপের ফল আসে, এনমেচার গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি।
তবে ফিফার মঞ্চে নতুন হলেও কুরাসাও হাল ছাড়েনি। ২১ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ থেকে সমতা ফেরায় দলটি, যা ছিল তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম গোল। কিছু সময়ের জন্য জার্মান শিবিরে অস্বস্তিও তৈরি হয়।

কিন্তু সেই ধাক্কা দ্রুতই সামলে নেয় জার্মানরা। বিরতির আগে দুই গোল করে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা। শ্লটারবেকের হেডে এগিয়ে যাওয়ার পর হাভার্টজের পেনাল্টি জার্মানদের লিড আরও বাড়িয়ে দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে চিত্রটা হয়ে যায় পুরো একপেশে। জার্মানদের ধারাবাহিক আক্রমণে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় কুরাসাওর রক্ষণভাগ। মুসিয়ালা, ব্রাউন, উনদাভ ও হাভার্টজের গোলের বন্যায় বড় ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়। শেষ পর্যন্ত স্কোর দাঁড়ায় ৭-১ এ।
ম্যাচ শেষে আবারও আলোচনায় সেই “সাত গোলের জার্মানি”। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত বার্তা দিয়ে রাখল তারা।
ভোরে ফিলাডেলফিয়ায় লাতিন বনাম আফ্রিকান বারুদ
ভিনির ১১৪ কিমি গতির গোল ও আনচেলত্তির অজুহাত