বিশ্বজুড়ে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটজিপিটি'র ব্যবহার। মানুষ কখনও কল্পনা করতে পারিনি এমন সব উপায়ে তাদের জীবনকে বদলে দেবে এই চ্যাটবটটি, এমনটাই জানিয়েছিলেন এর উদ্ভাবক কোম্পানি ওপেনএআই।
গেলো মাসে ওপেনএআই’এর সিইও স্যাম অল্টম্যান জাপান সফরে গিয়ে বলেছিলেন, তিনি জাপানে চ্যাটজিপিটি'র নতুন ব্যবসায়িক ঘাঁটি স্থাপন করতে আগ্রহী।
সে সময় অল্টম্যানের এমন মন্তব্যের জবাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি জাপান সরকার।
তবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও বলেছেন, হিরোশিমায় নির্ধারিত আসন্ন সাতটি অগ্রসর দেশ জি-সেভেনের শীর্ষ সম্মেলনে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে চ্যাটজিপিটি'সহ অন্যান্য জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
কিশিদা স্থানীয় সময় বুধবার টোকিওতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আঞ্চলিক সংবাদপত্রগুলোর ঊর্ধ্বতন নির্বাহীদের এই কথা বলেছেন।
বৈঠকে কিশিদা বলেন, চ্যাটজিপিটি চ্যাটবট এবং অন্যান্য কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত সরঞ্জাম, যা লিখিত বার্তা এবং চিত্র তৈরি করে থাকে, সেগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক নিয়মাবলী ঠিক করে নেয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মে মাসের শীর্ষ সম্মেলনে আলোচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের নভেম্বরে চ্যাটজিপিটি চালু হওয়ার পর থেকে ঝড়ের গতিতে মানুষ এটি ব্যবহার করা শুরু করেছে।
এরইমধ্যে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করেছে ইতালি। ইউরোপের আরও একাধিক দেশ একই পথে হাঁটবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
ইতালি সরকার বলছে, মার্কিন স্টার্ট-আপ ওপেনএআই'র তৈরি এবং মাইক্রোসফ্ট সমর্থিত চ্যাটজিপিটি নিয়ে গোপনীয়তার উদ্বেগ রয়েছে। দেশটি চ্যাটজিপিটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: জায়নামাজ ছাড়া কোনো ব্যাগ নেওয়া যাবে না ঈদগাহে: ডিএমপি কমিশনার
ইতালির কনজিউমার অ্যাডভোকেসি গ্রুপের (বিইইউসি) উপ-মহাপরিচালক উরসুলা পাচল সতর্ক করে জানান, চ্যাটজিপিটি যে ক্ষতি করতে পারে, তা থেকে সমাজ বর্তমানে যথেষ্ট সুরক্ষিত নয়।
তিনি আরও বলেন, চ্যাটজিপিটি এবং এর মতো অন্যসব চ্যাটবটগুলো কিভাবে মানুষকে প্রতারিত এবং প্রভাবিত করতে পারে, তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।
অন্যদিকে ইলন মাস্কসহ প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আশঙ্কা করেছেন, এআই সিস্টেমগুলো একসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
একাত্তর/আরবিএস
