কনকনে শীতে বরফের বিশাল ভাস্কর্য দেখার অভিজ্ঞতা সুখকর না হলেও তা দেখে কিন্তু সবার মন ভালো হয়ে যায়। তেমনই চীনের দক্ষিণাঞ্চল হারবিনে চলছে তুষার ও বরফের তৈরি ভাস্কর্যের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। বিশ্বের ১২টি দেশ থেকে শিল্পীরা এসেছেন এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে।
দেখে মনে হবে, এ যেন শীতকে হার মানানোর প্রতিযোগিতা। চীনের হাঁড় কাঁপানো শীতকে পরাজিত করে বরফ ও তুষারের ভাস্কর্য তৈরি করছে একদল শিল্পীরা। মনের মাধুরী মিশিয়ে তারা তৈরি করছে নানা ধরনের প্রতিকৃতি।
চীনের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় হেইলংজিয়াং প্রদেশের হারবিন শহরে প্রতি বছর যে তুষার ভাস্কর্য হয় তা পৃথিবীর অন্যতম সবচেয়ে বড় এ ধরনের উৎসব। আর এই উৎসবেরই অংশ হল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাটি।

চীনের হারবিন শহরের বরফ ও তুষারের তৈরি ভাস্কর্যের নিজস্ব একটা ঐতিহ্য আছে। যা সারা বিশ্বের মানুষকে প্রভাবিত করে। এই প্রতিযোগিতাটি শিল্পীদের দক্ষতা ও শৈল্পিক মনোভাবকে ফুটিতে তোলে। তাই এখানে আন্তর্জাতিক ভাবে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি।
প্রতি বছর এই সময়ে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন হলেও ২০২০ সাল থেকে করোনা মহামারিতে নানা বিধিনিষেধে বেশ কিছু দিন পর্যন্ত তা বন্ধ ছিল।
আমার খুবই ভালো লাগছে। কারণ করোনাকালীন সময়ে আমরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। যার ফলে আমরা একে অপরের থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হারিয়েছি।

চীন ভালোভাবেই বুঝতে শুরু করেছে কীভাবে শীতকালকে বিনোদন, পর্যটন ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায়। এখন, জলবায়ু উষ্ণায়নের কারণে মানুষ আরও অধিক পরিমাণে আগ্রহী হয়ে উঠছে শীত, বরফ ও তুষারপাতের প্রতি।
তবে ২০২৪ সাল থেকে চীন আবারও সেজে উঠতে শুরু করেছে সেই স্বর্গীয় সৌন্দর্য। চোখ ধাঁধানো বরফ উৎসবে যোগ দিতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছে এসব পর্যটকরা।

এবারের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় রাশিয়া, কানাডা, ইন্দোনেশিয়, দক্ষিণ কোরিয়াসহ অংশ নিয়েছে ১২ দেশের শিল্পীরা। বরফ কেটে বিশাল আকৃতির প্রমাণ সাইজের ভবন এবং অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করাই এই উৎসবের প্রধান বিশেষত্ব। যা উপভোগ করতে প্রতিবছর এখানে ছুটে আসে হাজারো দর্শনার্থীরা।
আমাজনের গহীনে হারিয়ে যাওয়া শহরের খোঁজ