মহিষ দিয়ে কি কোরবানি হবে?

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৪, ০৩:১৯ পিএম

কোরবানি ইসলাম ধর্মালম্বিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্যবান পুরুষ-মহিলার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। এটি ইসলামের মৌলিক ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। 

তবে কোরবানিরে পশু নির্বাচনে কিছু বিধিনিষেধ মানতে হয়। ইচ্চেমতো পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না। আর যে পশু দিয়ে কোরবানি হয় তাকে কোরআনের ভাষায় বলা হয় ‘বাহিমাতুল আনআম’ অর্থাৎ অহিংস্র গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু।

কোরবানিরর ক্ষেত্রে উটের বয়স পাঁচ বছর, গরু দুই বছর, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বার বয়স এক বছরের হতে হবে। বয়স কম; কিন্তু দেখতে হৃষ্টপুষ্ট এমন পশু দিয়ে কোরবানি করা জায়েজ হওয়ার পক্ষেও বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।

শরিয়তের পরামর্শ হল, হৃষ্টপুষ্ট, নিখুঁত এবং দেখতে সুন্দর পশু কুরবানি করা। কোরবানির পশু সব ধরনের দোষ-ত্রুটিমুক্ত হওয়া চাই।

হাদিসের আলোকে কোরবানির পশু হৃষ্টপুষ্ট হওয়া উত্তম। নবীজি হৃষ্টপুষ্ট, নিখুঁত ও উত্তম পশু কুরবানি করতেন এবং খুঁতবিশিষ্ট পশু কুরবানি করতে নিষেধ করেছেন।

যে সব প্রাণিতে কোরবানি বৈধ নয়

যে পশু তিন পায়ে চলে, এক পা মাটিতে রাখতে পারে না বা ভর করতে পারে না এমন খোঁড়া পশু কোরবানি হয় না। রুগ্ন দুর্বল পশু, যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না তা দিয়েও কোরবানি হবে নয়।

যে পশুর একটি দাঁতও নেই বা এত বেশি দাঁত পড়ে গেছে যে, ঘাস বা খাদ্য চিবাতে পারে না- সেই সব পশুও কোরবানির উপযুক্ত নয়।

আবা যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে, যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সে পশুও চলবে না। তবে যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙ্গে গেছে বা শিং একেবারে উঠেইনি সে পশু দিয়ে কোরবানি করা যাবে। 

যে পশুর লেজ বা কোনো কান অর্ধেক বা তারও বেশি কাটা সে পশুর কুরবানি জায়েজ নয়। আর যদি অর্ধেকের বেশি থাকে তাহলে তার কোরবানি জায়েজ আছে। তবে জন্মগতভাবেই যদি কান ছোট হয় তাহলে অসুবিধা নেই। আবার যে পশুর দুটি চোখই অন্ধ বা এক চোখ পুরো নষ্ট সে পশু কোরবানির জন্য নয়। 

মহিষ দিয়ে কোরবানি দিলে কি আদায় হবে?

সূরা হজের ৩৪ ও ৩৬ নং আয়াতে যে দুটো শব্দ উল্লেখ করা হয়েছে তা দিয়ে উট, গরু বা গরু জাতীয় পশুকে বোঝায়। আর মহিষ ও গরু যে একই জাতীয় পশু এ ব্যাপারে সব ফুকাহায়ে কেরাম একমত।

হজরত হাসান বাছরী বলেন, ‘মহিষ গরুর স্থলাভিষিক্ত’ (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বা ৭/৬৫ হা/১০৮৪৮; মির‘আত ৫/৮১ ‘কুরবানী’ অনুচ্ছেদ)। অতএব মহিষ কোরবানি দেওয়াতে কোনো দোষ নেই (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ওছায়মীন ২৫/৩৪, ‘কোরবানি অধ্যায়)।

আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, মহিষ দিয়ে কোরবানি দিতে কোনো বাধাই নেই। নামের কারণে হয়তো এটা মহিষ। কিন্তু এটাও এক প্রকার গরু। গরু বলতে শুধু একটি জাত এবং নির্দিষ্ট কোনো প্রকারকে বোঝানো হয়নি।

তাই মহিষ দিয়ে কোরবানি দেওয়া নিয়ে কোনো কথাই ওঠেনি। মহিষ দিয়ে কোরবানি হয়ে যাবে, এটি নিশ্চিত। 

এআর
মাথাভর্তি সোনালি চুল আর রাজকীয় চালচলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গন এখন কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের একটি মহিষ। গৃহস্থ তার নাম দিয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা...
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ বলে ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর নৌবাহিনী।  সেই সঙ্গে ওই জলসীমায় শুক্রবার থেকে এ...
দেশে হাম ও হামের উপসর্গের প্রাদুর্ভাব থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও তিনজনের প্রাণহানি ঘটেছে। একই সময়ে সারাদেশে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে নতুন করে আরও এক হাজার ৩৫ জন এই...
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান বাড়ানো, ব্যাগেজ চুরি বা ক্ষতি রোধ করা এবং লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এক যুগান্তকারী প্রযুক্তিভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ...
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে আগুন লেগেছে। নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর