ঢাকা নারায়ণগঞ্জ রুটে যেখানে একটি বাসের জ্বালানি খরচ বেড়েছে ১২০ টাকা সেখানে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি নেয়া হচ্ছে চারশ’ টাকা।
ঢাকা চান্দিনা রুটে সরকার নির্ধারিত ভাড়াকে অতিরিক্ত বলে স্বীকার করছেন বাস শ্রমিকরাই। যাত্রীদের অভিযোগ ৭০ কিলোমিটারের রাস্তায় ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৪০ টাকা বেশি।
প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী চাকুরীজীবি এবং ব্যবসায়ী ঢাকা থেকে নারায়ণঞ্জ যাওয়া আসা করেন। ঢাকার সব থেকে কাছের এই জেলার দূরত্ব গুলিস্থান থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার।
যানজট বিবেচনায় এই পথে একটি বাসের সর্বোচ্চ জ্বালানি খরচ বেড়েছে ১২০ টাকা। যেখানে আসন প্রতি ভাড়া বেড়েছে ৯ টাকা।
আরও পড়ুন: করোনায় শনাক্তের হার ও মৃত্যু বেড়েছে
সেই হিসেবে ৪৫ আসনের একটি বাসে এখন বাড়তি ভাড়া আদায় হয় চারশ’ টাকা। অর্থাৎ জ্বালানি খরচ যা বেড়েছে, তাই চাইতে কয়েকগুণ বেশি বেড়েছে গণপরিবহনের ভাড়।
বাস শ্রমিকরা বলছেন, বিআরটিএ থেকে নির্ধারণ করা ভাড়াই তারা নিচ্ছেন। কত গুণ বেশি সেটি দেখার দায়িত্ব তাদের নয় বলে জানান তারা।
একইভাবে ঢাকা থেকে কুমিল্লার চান্দিনা পর্যন্ত বিআরটিসির এসি বাসের ভাড়া নেয়া হতো ১৬০ টাকা। এখন সেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে ২০০ টাকা।
তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকার নির্ধারিত ভাড়া ২২০ টাকা। মানবিক কারণে তারা ২০ টাকা কমিয়ে দুশ’ টাকা নিচ্ছেন।
এদিকে, বাসের সামনে ডিজেল এবং গ্যাস চালিত স্টিকার লাগানোর কথা থাকলেও বেশিরভাগ পরিবহন তা মানছে না।
কেন স্টিকার লাগানো নেই এই প্রশ্নের পর, গুলিস্থান এলাকায় গাড়িতে স্টিকার লাগানো শুরু করে মালিকপক্ষ।
যাত্রীদের দাবি, টিকেট ৫০ টাকা ভাড়া নির্ধারিত করা হলেও অনেকে টোল ভাড়ার কথা বলে ১৫ টাকা বেশি নিচ্ছেন।
যাত্রীরা বলছেন, গণপরিবহনের মালিকদের কাছে সরকারের নমনীয় মনোভাবের কারণে যাত্রীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে।
একাত্তর/এআর
