প্যারোলে জেল থেকে বের হওয়া এক ভারতীয় ব্যক্তি জেলে ফিরে যাওয়া এড়াতে নিজের মৃত্যুর নাটক সাজিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। তবে তার এ পরিকল্পনা অবশ্য শেষ পর্যন্ত কাজ করেনি। পুলিশের কাছে ধরা পড়ে জেলে যেতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
উত্তর প্রদেশ রাজ্যের ওই ব্যক্তির নাম সুদেশ কুমার। ২০১৮ সালে নিজের ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে হত্যার দায়ে কারাদণ্ড দেয়া হয় তাকে।
পরে করোনা ভাইরাস মহামারি শুরু হওয়ার পর প্যারোলে জেল থেকে ছাড়া পান তিনি। মহামারির সময় কারাগারে অতিরিক্ত আসামির চাপ এড়াতে কিছু কিছু আসামিকে প্যারোলে ছাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত।
তবে সুদেশের ধারণা ছিল, মহামারির প্রকোপ কমে এলে তাকে আবারও জেলে পুরে দিতে পারে পুলিশ। তাই নিজের মৃত্যুর নাটক সাজায় সে।
আরও পড়ুন: খরচ মেটাতে ট্যাক্সি চালাতেন পুতিন
পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিতে সে জানায়, গত ১৯ নভেম্বর ডোমেন রবিদাসকে হত্যা করে সে। উচ্চতা ও গড়নে দেখতে সে অনেকটা সুদেশের মতই।
সুদেশের বাড়িতে কাজ করতে এলে তাকে হত্যা করে সুদেশ। এরপর তার মরদেহ পুড়িয়ে ফেলে, যেন চেহারা দেখে তাকে শনাক্ত না করা যায়।
পরে সুদেশ নিজের পরিচয়পত্র রবিদাসের পকেটে রেখে মরদেহ একটি খালি জায়গায় ফেলে রেখে যায়। সুদেশের স্ত্রী অনুপমা এটিকে সুদেশের মরদেহ বলে শনাক্ত করেন।
তবে ঘটনার পর সুদেশ তার স্ত্রীর সাথে দেখা করতে যাবে এমন তথ্য পায় পুলিশ। সেই অনুযায়ী তাদের বাড়ি থেকে সুদেশকে আটক করা হয়।
সুদেশকে সহায়তা করার জন্য তার স্ত্রী অনুপমাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
