ইউক্রেন-রাশিয়া সংকটের প্রভাবে এখন জ্বালানির বিশ্ববাজার টালমাটাল। এর প্রভাবেই মার্কিন মুলুকে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেন সঙ্কট ইউরোপসহ সারাবিশ্বেই মূল্যস্ফীতি বাড়াবে আর কমিয়ে দেবে অর্থনীতির গতি।
জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়ের চাপে হিমশিম খাচ্ছে আমেরিকাবাসী। এর মধ্যেই বিশেষজ্ঞরা সর্তক করে দিলেন ইউক্রেন সংকট যুক্তরাষ্ট্রে গড় মুল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়াতে পারে।
ইউক্রেন সংকটের প্রভাবে ইতিমধ্যেই তেলের ব্যারেল ছাড়িয়েছে ৯০ ডলার। এ সংকট দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ১২০ ডলার ছাড়াতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জে পি মরগান।
সিএনএনের এক বিশ্লেষণ বলছে, তেলের বাজারে অস্থিরতা পুরো বিশ্বের জিডিপি প্রবৃদ্ধিই প্রায় এক শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে। আর বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়িয়ে নিতে পারে ৭.২ শতাংশ।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন সংকট যে কারণে বাইডেনের মাথাব্যথা
ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে শুধু দেশ দুটিরই ক্ষতি হবে না, ক্ষতির মুখে পড়বে পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনীতিও। বিশেষ করে হাহাকার পড়ে যাবে জ্বালানি খাতে।
যুক্তরাষ্ট্রের পর রাশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল-গ্যাস উৎপাদক ও সরবরাহকারি। রাশিয়া তেল ও গ্যাস রপ্তানি বন্ধ করে দিতে পারে বলেও আশংকা করছে ইউরোপের অনেক দেশ।
এতে জ্বালানির দাম অনেক বেড়ে যাবে। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ারও আশঙ্কাও আছে।
কারণ রাশিয়া বিশ্বের প্রথম ও ইউক্রেন তৃতীয় বৃহত্তম গম রপ্তানিকারক। আর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ভুট্টা রপ্তানিকারকও ইউক্রেন।
