মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে ‘আগ্রাসন চালানোর সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সেটা হতে পারে।
শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, মার্কিন গোয়েন্দাদের থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করেই এসব দাবি করেন বাইডেন।
বাইডেন হোয়াইট হাউজ থেকে এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, "এই মুহুর্তে, আমি নিশ্চিত যে তিনি (পুতিন) আগ্রাসন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।"
তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যে রাশিয়ান বাহিনী "আগামী সপ্তাহে" বা তার আগেই ইউক্রেন আক্রমণ করবে। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ হতে পারে রুশ হামলার লক্ষ্যবস্তু।
বাইডেনের মতে, পুতিন ইউক্রেন আক্রমণের জন্য একটি মিথ্যা ন্যায্যতা তৈরি করছে। পুতিন সীমান্তে সেনা সংখ্যা বাড়াচ্ছে।
তবে কূটনৈতিক পথে সঙ্কট নিরসনের সুযোগ এখনও বন্ধ হয়ে যায়নি এবং রাশিয়া সে সুযোগ নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন বাইডেন।
হোয়াইট হাউসে বসেই চলমান ইউক্রেন সংকট পর্যবেক্ষণ করার পরিকল্পনা করেছেন বাইডেন। এরইমধ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা দলের সাথে দেখা করেছেন এবং বিশ্ব নেতাদের সাথেও যোগাযোগ রেখেছেন।
যদিও প্রতিবেশী ইউক্রেনে হামলা চালানোর পরিকল্পনার কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া।
অন্যদিকে পশ্চিমা সরকারগুলো বলছে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে বড় ধরনের পরিকল্পনা আছে রাশিয়ার। পুতিন প্রশাসন হামলার চালানোর ‘অজুহাত’ খুঁজছে।
আরও পড়ুন: বৈঠকে বসছে সার্চ কমিটি
ইউক্রেন সীমান্তের কাছে এরইমধ্যে এক লাখ ৯০ হাজার সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছে মস্কো। এছাড়া সীমান্তে রয়েছে রুশ সামরিক সরঞ্জাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনও ইউক্রেন সীমান্তে এতো বেশি সৈন্য সমাবেশ ঘটায়নি রাশিয়া।
এর আগে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইউক্রেন সীমান্ত থেকে কিছু সৈন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে রাশিয়ার বক্তব্যকে মিথ্যা দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বরং সেখানে আরও সাত হাজার সৈন্য সমাগম করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
একাত্তর/আরবিএস
