রোজার প্রথম দিন থেকেই কম দামে গরু, খাসির মাংস বিক্রি শুরু করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। এখানে বাজারের চেয়ে দেড়শ টাকা কমে মিলবে এক কেজি গরুর মাংস।
পাঁচ ধরনের সবকটি পণ্যই কিনতে পারবে ক্রেতা। প্রাণি সম্পদমন্ত্রী জানান, রমজানে মাংস, দুধের চাহিদা মেটাতেই ভ্রমমাণ ভ্যানের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গরু-খাসি কিম্বা মুরগি সব মাংসের দামই ঊর্ধ্বমুখি। গরু সাতশ, খাসি এক হাজার, মুরগি তিনশ’ টাকা। এতে আমিষের চাহিদা মিটাতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
ক্রেতাদের স্বস্তি দিতে প্রথম রোজা থেকেই কম দামে তিন ধরনের মাংস, দুধ ডিম বিক্রি শুরু করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
এক কেজি গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫০ টাকা। খাসি ৮০০ টাকা, মুরগি ২০০ টাকা, দুধ ৬০ টাকা আর ডিম ৩০ টাকা।
দেড়শ টাকা কমে গরুর মাংস নিতে খামারবাড়ি চত্বরে এই লম্বা লাইন। পণ্যের দাম লাগাম ছাড়া হওয়ায় রাজধানীতে টিকে থাকাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ এই মানুষগুলোর। মাংস, দুধ, ডিম পেয়ে খুশি ক্রেতারা বলেন, এই দামেও রোজগারের সাথে মিলানো কঠিন।
রোববার রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর চত্বরে রমজান মাসে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
এ সময় তিনি বলেন, বাজারে দাম বেশি থাকলেও আমিষের ঘাটতি যেন না হয়, সেজন্যই এই ব্যবস্থা। পণ্যে যেন কোন জীবাণু না থাকে সেটিও নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ১ রমজান থেকে ২৮ রমজান পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার ১০টি স্থানে ভ্রাম্যমাণ এ বিপণন কার্যক্রম চালু থাকবে।
প্রাথমিকভাবে সচিবালয়-সংলগ্ন আব্দুল গণি রোড, খামারবাড়ি গোল চত্বর, জাপান গার্ডেন সিটি, মিরপুর ৬০ ফুট রাস্তা, আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার, আরামবাগ, নতুন বাজার, কালশী এবং যাত্রাবাড়ি ভ্রাম্যমাণ বিপণন ব্যবস্থা চালু করা হবে।
আরও পড়ুন: যা ঘটছে তা নিয়ে কিছুই করার নেই: পাক সেনাবাহিনী
প্রথম দিনে ভ্যানে কম পণ্য রাখা হয়েছে। চাহিদার উপর বাড়ানো হবে পণ্যের পরিমাণ। চাহিদা ও দ্রব্যের সরবরাহ বিবেচনা করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের পরিসরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
