রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রনীতির মতো নীতিগত বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট হস্তক্ষেপ
করবেন না বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়াল।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরির খারিজ করে দেয়ার বৈধতার বিষয়টি নিয়েই সিদ্ধান্ত দেবে সর্বোচ্চ আদালত।
মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকারের অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ এবং জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়ার পর উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সুপ্রিমকোর্টের সুয়োমটোর ওপর শুনানিতে নওয়াজপন্থী আইনজীবী মাখদুম আলী খান যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। ওই সময় এই মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।
গত ৩ মার্চ সংবিধানের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সাথে সাংঘর্ষিক দাবি করে ইমরানের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে দেন জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি। বিরোধী দলেরা এই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক মন্তব্য করে সুপ্রিমকোর্টের যায়।
সেই মামলা শুনানি চলছে দেশটির সুপ্রিমকোর্টে। এর আগে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো এ বিষয়ে শুনানি হলেও রায় ঘোষণা হয়নি।
শুনানি বুধবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। দেশটির প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়ালের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে সোমবার থেকে শুনানি চলছে।
শুনানির দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি বলেন, সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর রায় দেবে আদালত। তিনি আরও বলেন, সাংবিধানিক আদেশ জাতীয় পরিষদের নিয়মের ওপরে।
আরও পড়ুন: তাইওয়ানে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের
এ সময়, জাতীয় পরিষদ স্পিকারের কাউন্সেল নাঈম বোখারিকে ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত অধিবেশনের কার্যবিবরণী উপস্থানের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।
উল্লেখ্য, স্পিকারের ওই সিদ্ধান্তের ঘণ্টাখানেকের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পরামর্শে জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের কথা জানান দেশটির প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি।
একাত্তর/আরবিএস
