যুদ্ধ বিমানবাহী তৃতীয় রণতরীর উদ্বোধন করেছে চীন। শুক্রবার দেশটির সবচেয়ে অত্যাধুনিক এ জাহাজের উদ্বোধন করা হয়। নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রণতরীটিতে আছে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক ক্যাটাপল্ট। যার মাধ্যমে ডেকে বিমান দ্রুত অবতরণ করতে পারে।
শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় সাংহাইয়ের জংনান শিপইয়ার্ড থেকে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই রণতরীটি পানিতে ভাসানো হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম, চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অনুষ্ঠানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের (সিএমসি) ভাইস চেয়ারম্যান শু কিলিয়াং উপস্থিত ছিলেন। নৌবাহিনীর কয়েক ডজন সদস্য জাহাজটির সামনে চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
নতুন রণতরীটির নামকরণ করা হয়েছে দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় প্রদেশ ফুজিয়ানের নামে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনা নৌ বাহিনীর পরিসর বাড়ানোর চেষ্টার মধ্যেই নতুন রণতরী সাগরে ভাসালো দেশটি। রণতরীটির ধারণ ক্ষমতা ৮০ হাজার টন।

এর আগে দু'দফা উদ্বোধনের দিন ঠিক করলেও করোনায় পিছিয়ে দেয়া হয়। ২০১২ সালে প্রথম বিমানবাহী রণতরী সাগরে ভাসায় চীন। ২০১৯ সালে দ্বিতীয়টি।
ফুজিয়ান ২০১৯ সালের শেষের দিকে চালু হওয়া শানডং এবং ১৯৯৮ সালে ইউক্রেন থেকে কেনা লিয়াওনিং-এর সঙ্গে যুক্ত হবে। বর্তমানে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ ধরনের ১১টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে।
চীনের গণমাধ্যম জানায়, আরো দুটি এ ধরনের জাহাজ তৈরির পরিকল্পনা তাদের। এরমধ্যে একটি হতে পারে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিমানবাহী রণতরী।
আরও পড়ুন: আমেরিকায় একদিনে ৮৬টি বন্দুকবাজির ঘটনা
তাইওয়ান এবং দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের কর্তৃত্ব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। চলমান এই উত্তেজনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলছে চীন, যার সর্বশেষ নজির এই ফুজিয়ান।
